1. nokhatronews24@gmail.com : ajkarsatkhiradarpan darpan : ajkarsatkhiradarpan darpan
  2. install@wpdevelop.org : sk ferdous :
সাতক্ষীরায় নিউমোনিয়ায় ১৯দিনে হাসপাতালে ৫০৯ শিশু ভর্তি, মৃত্যু ১২ - আজকের সাতক্ষীরা দর্পণ
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন
২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
📰সাতক্ষীরায় অর্ধেকে নেমেছে খেজুরের রস-গুড় উৎপাদন📰আশাশুনির প্রতাপনগরে বাড়ির মালিককে অজ্ঞান করে দস্যুবৃত্তি📰সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক দলের উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান📰দেবহাটায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান📰আজ পবিত্র শবে মেরাজ📰সাতক্ষীরা-৩ আসনে কোন প্রার্থীর সম্পদশালী📰সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার যমুনা টিভির প্রতিনিধি📰সেবা প্রত্যাশীদের ব্যক্তিগত উপাত্ত উদ্যোক্তাদের নিকট আমানত – ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব📰লাবসায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল📰সাতক্ষীরা-২ আসনে কে কত সম্পদশালী, শিক্ষায় এগিয়ে কে?

সাতক্ষীরায় নিউমোনিয়ায় ১৯দিনে হাসপাতালে ৫০৯ শিশু ভর্তি, মৃত্যু ১২

প্রতিবেদকের নাম :
  • হালনাগাদের সময় : সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১২৭ সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি: আবহাওয়া পরিবর্তন হওয়ায় সাতক্ষীরায় হঠাৎ করে শিশুদের নিউমোনিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারিভাবে সদর হাসপাতালে মাত্র ২৬টি শিশু শয্যার বিপরীতে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯৩জন শিশু ভর্তি ছিল। চলতি মাসের ১৯ দিনে ৫০৯ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। যা গড়ে প্রতিদিন ২৭জন করে ভর্তি হচ্ছে। আর এসময়ে মৃত্যু হয়েছে ১২ শিশুর। মাত্র একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে শিশু বিভাগ। আর সেটি চলছে দীর্ঘদিন। কর্তৃপক্ষ বলছেন চিকিৎসক ও জনবল সংকটের পরও সেবা প্রদানের সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত আছে। প্রতিমাসে শিশু চিকিৎসক চেয়ে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হলেও তা কাজে আসছে না। মাত্র একশ’ শয্যার সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে শিশু বেড রয়েছে ১১টি, কেএমপি বেড ৩টি ও কর্তৃপক্ষের চেষ্টায় আরও ১২টি বেড বৃদ্ধিতে মোট ২৬টি বেডের বিপরিতে ৯৩জন শিশুকে এখন চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। বর্তমানে হাসপাতালের একটি বেডে ২/৩ জন শিশু দেখা গেছে। বারান্ডা সিড়ির ঘর ও বেডের নিচেও শিশুদের চিকিৎসা চলছে। শুধু ওয়ার্ড নয়, যেখানেই ফাঁকা সেখানেই কাঁথা বালিশ আর গামলা বাটি নিয়ে বিছানা পেতে শিশু রোগির চিকিৎসা চলছে। সঙ্গে অভিভাবকদের চাপ তো আছেই। ৮দিন ১০দিন করে বসে থেকেই অতিরিক্ত চাপের কারণে সুস্থ্য হচ্ছেনা বলে জানান অভিভাবকরা। একমাত্র চিকিৎসক ওয়ার্ডে রোগি দেখে আউটডোরে রোগি দেখার সময়ই পাচ্ছেন না। অভিভাবকরা বলছেন, বিদ্যুতের সংকট, সবস্থানে ফ্যান না থাকা, অতিরিক্ত গরমে শিশু রোগি ও অভিভাবকরাও নাকাল হয়ে পড়ছেন। ফলে জরুরীভাবে আরও শিশু চিকিৎসক যুক্ত করার দাবী ভুক্তভোগিদের।
এবিষয়ে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের একমাত্র শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. অসীম কুমার সরকার জানান, ঋতুজনিত কারণে এখন শিশুদের নিউমোনিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে, প্রতিদিন গড়ে ২৬ থেকে ৩০ জন করে ভর্তি হচ্ছে। এর ফলে বেড জায়গা সংকুলান হচ্ছে না। রোগি ও রোগির স্বজনরাও কষ্ট পাচ্ছে। তবে তিনি রোগির অভিভাবকদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, শিশুরা অসুস্থ্য হলেই দ্রুত চিকিৎসকের কাছে আনার দাবী জানান। তা না হলে পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। আর এ কারণেই অতীতের তুলনায় বেড়েছে মৃত্যুর হারও।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর :

সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি:

এম এ কাশেম (পিএইচডি -গবেষক,এডুকেশন-মালেশিয়া) এম এ ক্রিমিনোলজি, এমবিএ-লন্ডন।).....01748159372

সম্পাদক ও প্রকাশক:

মো: তুহিন হোসেন (বি.এ অনার্স,এম.এ)...01729416527

© All rights reserved © 2020-2025
প্রযুক্তি সহায়তায়: csoftbd