নিজস্ব প্রতিনিধি: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে সাতক্ষীরা জেলার ১৮৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ কেন্দ্রগুলো দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রায় ৬৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। চলতি সপ্তাহে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক স্মারকে বরাদ্দের বিষয়টি জানানো হয়।
মন্ত্রণালয়ের স্মারকে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পরিচালন বাজেটের ‘অন্যান্য ভবন ও স্থাপনা’ খাত থেকে সারাদেশের ১২ হাজার ৫৩১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংস্কারের জন্য মোট ৪১ কোটি ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ এসেছে খাতটির ৮০ কোটি টাকার মোট বরাদ্দ থেকে।
অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। সরকারি আর্থিক বিধি–বিধান মেনে চলতে হবে, ভ্যাট পরিশোধের প্রমাণপত্র সংরক্ষণ করতে হবে এবং অডিটের জন্য সব বিল-ভাউচার রাখা বাধ্যতামূলক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানসম্মতভাবে কাজ সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যদের দায়ী করা হবে।
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। সংস্কারকাজ তদারকি করবেন বিভাগীয় উপপরিচালক (প্রাথমিক শিক্ষা), জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি)।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্বাচনের আগে সব ভোটকেন্দ্রের জরুরি সংস্কার শেষ করার জন্য মাঠপর্যায়ে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমীন বলেন, “জেলার ১৮৫টি বিদ্যালয়কে ভোটকেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত করতে আমরা উপজেলাগুলোকে দ্রুত মেরামতকাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছি। বরাদ্দের প্রতিটি টাকা সরকারি নীতিমালা মেনে ব্যয় হচ্ছে কি না, তা আমরা কঠোরভাবে তদারকি করব। লক্ষ্য হলোÑ নির্বাচনের আগেই কেন্দ্রগুলো মানসম্মতভাবে প্রস্তুত করা এবং কোনো ধরনের দেরি বা অনিয়মের সুযোগ না রাখা।”
Leave a Reply