1. nokhatronews24@gmail.com : ajkarsatkhiradarpan darpan : ajkarsatkhiradarpan darpan
  2. install@wpdevelop.org : sk ferdous :
সাতক্ষীরার বেসরকারি স্কুলগুলোর বিরুদ্ধে নীরব চাঁদাবাজির অভিযোগ, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি - আজকের সাতক্ষীরা দর্পণ
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
📰লাবসায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল📰সাতক্ষীরা-২ আসনে কে কত সম্পদশালী, শিক্ষায় এগিয়ে কে?📰সাতক্ষীরায় সেনা অভিযানে মাদকসহ ৩জন গ্রেপ্তার📰আব্দুল আহাদ সরদারের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত📰ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপি’র উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল📰সাতক্ষীরায় বাস–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত📰ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কালিগঞ্জে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত📰শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিষয়ে জিরো টলারেন্স ঘোষণা সাবেক এমপি হাবিবের📰ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন সাতক্ষীরার সাংবাদিক তুহিন হোসেন📰সাতক্ষীরায় খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

সাতক্ষীরার বেসরকারি স্কুলগুলোর বিরুদ্ধে নীরব চাঁদাবাজির অভিযোগ, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি

প্রতিবেদকের নাম :
  • হালনাগাদের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৭ সংবাদটি পড়া হয়েছে

ভর্তি মৌসুম এলেই ফি নৈরাজ্য
বিশেষ প্রতিনিধি: নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শুরু হয়েছে আরেক দফা আর্থিক চাপ। অভিভাবকদের অভিযোগ—ভর্তির নামে, সেবার নামে ও উন্নয়নের নামে অযৌক্তিক ও অস্পষ্ট ফি আদায়ের মহোৎসব চলছে।
একই ছাত্র একই শ্রেণিতে অধ্যয়ন করলেও প্রতিবছর আদায় করা হচ্ছে সেশন চার্জ, সার্ভিস চার্জ, ডেভেলপমেন্ট ফি এবং কোথাও কোথাও পুনরায় ভর্তি ফি। অথচ এসব ফি আদায়ের বিষয়ে নেই কোনো লিখিত নোটিশ, নেই স্বচ্ছ হিসাব।
আইন ও নীতিমালার বাইরে ফি আদায়?
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট নীতিমালায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ইচ্ছামতো ফি আরোপের সুযোগ না থাকলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। অভিভাবকদের প্রশ্ন—
একই ছাত্রের কাছ থেকে প্রতিবছর নতুন করে সেশন চার্জ আদায়ের আইনি ভিত্তি কী?
সার্ভিস চার্জের নামে আদায় করা অর্থের সুনির্দিষ্ট ব্যবহার কোথায়?
শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা জেলা প্রশাসনের তদারকি কার্যক্রম কার্যকর আছে কি না?
প্রতিবাদে নীরব অভিভাবকরা
একাধিক অভিভাবক জানান, প্রতিবাদ করলে সন্তানের ওপর প্রভাব পড়তে পারে—এই আশঙ্কায় তারা চুপ থাকছেন। কেউ কেউ স্কুল বদলানোর চেষ্টা করলেও বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে নতুন ভর্তি ফি ও অতিরিক্ত খরচ।
এই পরিস্থিতিতে অভিভাবকরা কার্যত জিম্মি অবস্থায় পড়েছেন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
শিক্ষা নাকি ব্যবসা?
বিশ্লেষকদের মতে, অনেক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আজ আর সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের চরিত্র ধরে রাখতে পারছে না। শিক্ষা এখন সেখানে একটি লাভজনক ব্যবসায়িক পণ্যে পরিণত হয়েছে।
শিক্ষার নামে এই অনিয়মকে তারা সরাসরি “নীরব চাঁদাবাজি” হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।
জোরালো নাগরিক ও আইনি দাবি
এই প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে যে দাবিগুলো সামনে এসেছে—
1. সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত ফি তালিকা প্রকাশ ও প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করতে হবে।
2. প্রতিবছর একই ছাত্রের কাছ থেকে সেশন ও সার্ভিস চার্জ আদায়ের বিষয়ে ব্যাপক তদন্ত করতে হবে।
3. অতিরিক্ত ও অবৈধ ফি আদায়ের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
4. জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অভিযোগ গ্রহণ ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার সেল গঠন করতে হবে।
শিক্ষা কোনো বাণিজ্যিক পণ্য নয়—এটি একটি মৌলিক অধিকার।
অভিভাবকদের আর্থিক শোষণ বন্ধ না হলে সমাজে শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সময় এসেছে প্রশ্ন তোলার,সময় এসেছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার।
✍️ লেখক ও কলামিস্ট: মাওলানা মিজানুর রহমান

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর :

সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি:

এম এ কাশেম (পিএইচডি -গবেষক,এডুকেশন-মালেশিয়া) এম এ ক্রিমিনোলজি, এমবিএ-লন্ডন।).....01748159372

সম্পাদক ও প্রকাশক:

মো: তুহিন হোসেন (বি.এ অনার্স,এম.এ)...01729416527

© All rights reserved © 2020-2025
প্রযুক্তি সহায়তায়: csoftbd