1. nokhatronews24@gmail.com : ajkarsatkhiradarpan darpan : ajkarsatkhiradarpan darpan
  2. install@wpdevelop.org : sk ferdous :
যে কারণে নারীদের হার্ট ব্লকের সংখ্যা বাড়ছে - আজকের সাতক্ষীরা দর্পণ
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন
১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
📰লাবসায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল📰সাতক্ষীরা-২ আসনে কে কত সম্পদশালী, শিক্ষায় এগিয়ে কে?📰সাতক্ষীরায় সেনা অভিযানে মাদকসহ ৩জন গ্রেপ্তার📰আব্দুল আহাদ সরদারের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত📰ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপি’র উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল📰সাতক্ষীরায় বাস–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত📰ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কালিগঞ্জে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত📰শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিষয়ে জিরো টলারেন্স ঘোষণা সাবেক এমপি হাবিবের📰ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন সাতক্ষীরার সাংবাদিক তুহিন হোসেন📰সাতক্ষীরায় খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

যে কারণে নারীদের হার্ট ব্লকের সংখ্যা বাড়ছে

প্রতিবেদকের নাম :
  • হালনাগাদের সময় : রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫
  • ৯৩ সংবাদটি পড়া হয়েছে

স্বাস্থ্য ডেস্ক: হৃদরোগ এখন আর শুধুই পুরুষদের রোগ নয়, এটি নারীরও। এ দেশে নারীর মধ্যেও করোনারি আর্টারি ডিজিজ (সিএডি) বা হৃদযন্ত্রে ধমনি ব্লক হয়ে যাওয়া রোগ ভয়াবহ আকার নিচ্ছে।
সে কারণে নারীর মন ভালো রাখার পাশাপাশি কিছু নিয়ম মেনে চলা দরকার। এক গবেষণায় দেখা গেছে, এই ছোট ছোট বিষয়গুলোই নারীর মধ্যে হার্ট ব্লকের ঘটনা বাড়িয়ে তুলছে।
এ বিষয়ে ভারতের কার্ডিওলজিস্ট ডা. হেমামালতি রথ বলেছেন, নারীর মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে— সিএডি। আর আশঙ্কার বিষয় হলো— অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ রোগের পেছনে বংশগত ঝুঁকি থেকে শুরু করে একাধিক শারীরিক ও মানসিক কারণ জড়িয়ে আছে।
সাধারণত নারীরা সিএডিতে আক্রান্ত হলে পুরুষের তুলনায় বয়স বেশি হয় এবং একাধিক রকমের কার্ডিওভাসকুলার ঝুঁকি তাদের শরীরে আগে থেকেই উপস্থিত থাকে। পুরুষের থেকে প্রায় ১০ বছর বয়সে পিছিয়ে থাকলেও ধূমপান, ডায়াবেটিস এবং অকাল মেনোপজ নারীর শরীরের ন্যাচারাল ডিফেন্স মেকানিজম বা সুরক্ষা ধ্বংস করে দেয়। ফলে অসুখ বাড়তে থাকে।
ডায়াবেটিস আক্রান্ত নারীর সিএডি-তে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা পুরুষের তুলনায় সাতগুণ বেশি। এর পাশাপাশি ধূমপান নারীর শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিয়ে হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়িয়ে তোলে। ফলে নারীরা পুরুষের তুলনায় আরও তাড়াতাড়ি ও ভয়ঙ্কর রকমের হার্ট অ্যাটাকের মুখোমুখি হন।
নারীর হৃদরোগের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিশেষ রিস্ক ফ্যাক্টর কাজ করে থাকে। যে ফ্যাক্টরগুলো পুরুষের ক্ষেত্রে দেখা যায় না কিংবা তুলনায় কম হয়। সেগুলো হলো—
১. মেনোপজ বা ঋতু বন্ধের পর ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়া, যা শরীরকে ঠিকমতো সুরক্ষা দিতে সক্ষম। ব্যাহত হয় সেই প্রক্রিয়া।
২. গর্ভাবস্থায় জটিলতা। যেমন উচ্চ রক্তচাপ, গর্ভকালীন ডায়াবেটিস।
৩. অটোইমিউন ডিজিজ। যেমন রিউমাটয়েড আথ্রাইটিস ও সিস্টেমিক লুপাস। এসব উপসর্গ নারীর হৃদরোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
৪. মাইগ্রেন ও দীর্ঘস্থায়ী অবসাদ।
৫. অকাল মেনোপজ।
৬. অকাল প্রসব।
৭. পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম।
৮. রক্ত স্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া।
নিম্ন-আর্থসামাজিক স্তরের নারীর মধ্যে হৃদরোগের প্রকোপ তুলনামূলক বেশি। একই সঙ্গে আধুনিক জীবনের দ্রুতগামিতা, শহুরে একাকীত্ব, কর্মজীবী নারীর প্রচণ্ড মানসিক চাপ— সব মিলিয়ে ডিপ্রেশন এখন নারীর জীবনে নিত্যসঙ্গী, যা নারীর হৃদরোগের একটি বড় কারণ।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর :

সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি:

এম এ কাশেম (পিএইচডি -গবেষক,এডুকেশন-মালেশিয়া) এম এ ক্রিমিনোলজি, এমবিএ-লন্ডন।).....01748159372

সম্পাদক ও প্রকাশক:

মো: তুহিন হোসেন (বি.এ অনার্স,এম.এ)...01729416527

© All rights reserved © 2020-2025
প্রযুক্তি সহায়তায়: csoftbd