1. nokhatronews24@gmail.com : ajkarsatkhiradarpan darpan : ajkarsatkhiradarpan darpan
  2. install@wpdevelop.org : sk ferdous :
কালিগঞ্জে মোবাইল কোর্টে ট্রাফিক সার্জেন্টের ‘মুখ চেনা খাদিমদারি’ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন - আজকের সাতক্ষীরা দর্পণ
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন
১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
📰সাতক্ষীরাতে দলিল লেখকের ভুলে নিঃস্ব কৃষক: দায় নেবে কে?📰বিভাগীয় পর্যায়ে পাঁচ শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫ সম্মাননা প্রদান📰সাতক্ষীরায় যুবদল নেতা নুর ইসলামের তাণ্ডব: এক সপ্তাহে সাংবাদিকসহ তিনজনের ওপর হামলা📰৮০ শতাংশ মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সাতক্ষীরা: অপরাধীদের আতঙ্কের নাম পুলিশ সুপার📰দেবহাটা ধোপাডাঙ্গায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে ১০ লক্ষ্য টাকার মালামাল পুড়ে ছাই📰দেবহাটা হাদিপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ধান রোপন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা📰কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের আয়োজনে মাহে রামজানে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত📰তরমুজ চাষে ব্যস্ত কয়রা উপকূলের চাষিরা📰সাতক্ষীরায় হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী করার দাবি📰র‌্যাব-৬ এর অভিযানে দেবহাটায় বিপুল মাদক জব্দ, তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার

কালিগঞ্জে মোবাইল কোর্টে ট্রাফিক সার্জেন্টের ‘মুখ চেনা খাদিমদারি’ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন

প্রতিবেদকের নাম :
  • হালনাগাদের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৭২ সংবাদটি পড়া হয়েছে

কালিগঞ্জ ব্যুরো : আইন আদালতে সকলের জন্য সমান রাষ্ট্রের এই মৌলিক নীতির বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে পরিচালিত একটি মোবাইল কোর্ট কার্যক্রমকে ঘিরে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে কালিগঞ্জ থানা ও প্রেসক্লাবের সামনে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট চলাকালে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক সার্জেন্টের আচরণে প্রকাশ্য বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন প্রত্যক্ষদর্শী ও সাধারণ মানুষ।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীনের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও হেলমেট না থাকলেও দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট শরিফুল ইসলাম কোনো ধরনের মামলা বা আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে ছেড়ে দেন। অথচ একই সময়ে সাধারণ পথচারী ও যানবাহন চালকদের ক্ষেত্রে কাগজপত্রে সামান্য ত্রুটি থাকলেই মামলা ও জরিমানা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, মুখ চেনা ও পদমর্যাদা বিবেচনায় এনে ট্রাফিক সার্জেন্ট কার্যত ‘খাদিমদারি’ আচরণ করেছেন, যা আইনের ন্যায়সংগত প্রয়োগের পরিপন্থী।এতে মোবাইল কোর্টের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে জনমনে গভীর সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
এ ঘটনায় উপস্থিত সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে।
অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন আইন কি শুধুই সাধারণ মানুষের জন্য, নাকি পদ-পদবি থাকলে তা শিথিল হয়ে যায়? যদি আইন প্রয়োগে এমন দ্বৈত মানদণ্ড থাকে, তবে মোবাইল কোর্টের উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা কতটা বিশ্বাসযোগ্য থাকে,সে প্রশ্নও উঠেছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এ ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণ আইনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট করে এবং শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে অনাস্থা সৃষ্টি করে। তারা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দাবি জানান, ভবিষ্যতে যেন আইন প্রয়োগে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব, মুখ চেনা বা প্রভাব খাটানোর সুযোগ না থাকে এবং সকলের জন্য সমানভাবে আইন কার্যকর করা হয়।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর :

সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি:

এম এ কাশেম (পিএইচডি -গবেষক,এডুকেশন-মালেশিয়া) এম এ ক্রিমিনোলজি, এমবিএ-লন্ডন।).....01748159372

সম্পাদক ও প্রকাশক:

মো: তুহিন হোসেন (বি.এ অনার্স,এম.এ)...01729416527

© All rights reserved © 2020-2025
প্রযুক্তি সহায়তায়: csoftbd