1. nokhatronews24@gmail.com : ajkarsatkhiradarpan darpan : ajkarsatkhiradarpan darpan
  2. install@wpdevelop.org : sk ferdous :
কুরআনে বর্ণিত সফলতার মূলমন্ত্র - আজকের সাতক্ষীরা দর্পণ
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
📰লাবসায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল📰সাতক্ষীরা-২ আসনে কে কত সম্পদশালী, শিক্ষায় এগিয়ে কে?📰সাতক্ষীরায় সেনা অভিযানে মাদকসহ ৩জন গ্রেপ্তার📰আব্দুল আহাদ সরদারের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত📰ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপি’র উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল📰সাতক্ষীরায় বাস–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত📰ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কালিগঞ্জে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত📰শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিষয়ে জিরো টলারেন্স ঘোষণা সাবেক এমপি হাবিবের📰ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন সাতক্ষীরার সাংবাদিক তুহিন হোসেন📰সাতক্ষীরায় খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

কুরআনে বর্ণিত সফলতার মূলমন্ত্র

প্রতিবেদকের নাম :
  • হালনাগাদের সময় : শুক্রবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১২৫ সংবাদটি পড়া হয়েছে

নক্ষত্র ডেস্ক: কুরআনে সুরা হুদে এমন একটি আয়াত আছে: وَلَا تَرْكَنُوا إِلَى الَّذِينَ ظَلَمُوا فَتَمَسَّكُمُ النَّارُ
অর্থ: ওইসব লোকদের দিকে হেলে পড়ো না যারা অন্যায়কারী, অন্যথায় জাহান্নামের আগুন তোমাদের পাকড়াও করবে। (সুরা হুদ, আয়াত ১১৩)
এখানে ‘রুকুন’ শব্দ ব্যবহার হয়েছে, রুকুন মানে ঝুঁকে পড়া বা হেলে পড়া। অর্থাৎ যে সরল-সঠিক পথ আছে তার থেকে হেলে পড়া। হয় এদিকে না হয় ওদিকে হেলে পড়া। তো পয়গম্বরও (সা.) সাহাবাদেরকে বলা হয়েছে তোমরা হেলে পড়ো না। এক জায়গায় স্থির হয়ে থাকো, একই পয়েন্টে। অন্যথায় এখানকার আগুন তোমাকে পাকড়াও করবে।
একথা আখেরাতের প্রেক্ষিতে বলা হয়েছে। কিন্তু দুনিয়ার প্রেক্ষিতেও একথা খাটে। সরল-সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যাওয়া, সত্যপথ থেকে বেপথ হয়ে যাওয়া এক প্রকার আগুন। শব্দের উদ্দেশ্য এ-ও হয়।
তো যেসব মানুষ বিপথে হেলে পড়েছে, মানে নির্দিষ্ট অবস্থানে নেই, এদিকে ওদিকে হেলে পড়ছে, এই জন্যই তারা বড় কোনো কাজ করতে পারে না। যখন মোবাইল-ফোন ছিল না তখনও বড় বড় বিজ্ঞানী, বড় বড় গবেষক জন্ম নিয়েছেন।
আজকের দিনে কয়জন জন্ম নিচ্ছে? অথচ যখন মোবাইল-ফোন ছিল না তখন জন্ম নিয়েছিল। দেখুন, সব বিজ্ঞানীর একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে পূর্ণ মনোযোগ ছিল, একটা কেন্দ্রে তাদের ধ্যান-জ্ঞান ছিল।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায় স্যার আইজাক নিউটন, তো এই নিউটনকে বলা হয় আধুনিক বিজ্ঞানের জনক। ছোটবেলায় তাকে ড়িড়ষমধঃযবৎবৎ বলা হতো। ড়িড়ষমধঃযবৎবৎ মানে আনমনা বা অন্যমনস্ক, বেশি কথা বলে না, এদিক-সেদিক যায় না, এক কথায় যাকে ‘দুনিয়া-ছাড়া’।
তো নিউটন যখন স্কুলে যায়, তখন ব্যাপারটা সবার সামনে স্পষ্ট হয় যে, এই ছেলে ড়িড়ষমধঃযবৎবৎ হলেও তার ভেতরে বড়মাপের যোগ্যতা আছে। মানে তিনি একটা বিষয়ে পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারেন।
পরবর্তীতে তার বড় বড় আবিষ্কার সম্পর্কে যখন প্রশ্ন করা হয়, তিনি বলেন : ও যধাব হড় ংঢ়বপরধষ ংধমধপরঃু, বীপবঢ়ঃ ঃযব ঢ়ড়বিৎ ড়ভ ঢ়ধঃরবহঃ ঃযড়ঁমযঃ. আমার ভেতরে বিশেষ কোনো গুণ নেই, একটা জিনিসই শুধু আছে যে, আমি ধৈর্যশীলতার সাথে, একনিষ্ঠতার সাথে, নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারি।
পৃথিবীতে যতজন সফল মহাপুরুষ ছিলেন, যেকোনো ধারার, তাদের সবার এই একটি গুণ বর্তমান ছিল যে, তারা তাদের ধ্যান এদিক-সেদিক সরাতেন না, পূর্ণ মনোযোগী ছিলেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর :

সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি:

এম এ কাশেম (পিএইচডি -গবেষক,এডুকেশন-মালেশিয়া) এম এ ক্রিমিনোলজি, এমবিএ-লন্ডন।).....01748159372

সম্পাদক ও প্রকাশক:

মো: তুহিন হোসেন (বি.এ অনার্স,এম.এ)...01729416527

© All rights reserved © 2020-2025
প্রযুক্তি সহায়তায়: csoftbd