
শহর প্রতিনিধি; সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া এলাকায় প্রথম স্ত্রী ও তাঁর সহযোগীদের হামলায় নজরুল ইসলাম (৩৩) নামের এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। গত শনিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কাটিয়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হওয়ার পর একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আহত নজরুল ইসলাম আশাশুনি উপজেলার চেউটিয়া গ্রামের আজিজুল ইসলামের ছেলে। তিনি বর্তমানে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মামলার এজাহার ও আহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে প্রথম স্ত্রী সুমাইয়া খাতুনের সঙ্গে নজরুলের দীর্ঘদিন ধরে কলহ চলছিল। নজরুল দ্বিতীয় বিয়ে করার পর এই বিরোধ আরও চরম আকার ধারণ করে।
গত শনিবার সকালে সুমাইয়া খাতুন তাঁর কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে নজরুলের ভাড়া বাসায় যান। সেখানে বাগ্বিত-ার একপর্যায়ে সুমাইয়া ও তাঁর সহযোগীরা নজরুলকে পিটিয়ে জখম করেন। বাধা দিতে গেলে নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী তৃপ্তি খাতুনকেও লাঞ্ছিত করা হয় এবং তাঁর গলার সোনার চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয় লোকজন নজরুলকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি ক্লিনিকে এবং পরে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নজরুলের শরীরে ভোঁতা অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
এ ঘটনায় নজরুলের মা শাহিদা খাতুন বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলার আসামিরা হলেন—সুমাইয়া খাতুন, আবু সাইদ, রফিকুল ইসলাম ও মন্টু গাজী।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সাতক্ষীরা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল আমিন বলেন, মারধরের ঘটনায় মামলা হওয়ার পর মন্টু গাজী নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে সুমাইয়া খাতুনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
Leave a Reply