1. nokhatronews24@gmail.com : ajkarsatkhiradarpan darpan : ajkarsatkhiradarpan darpan
  2. install@wpdevelop.org : sk ferdous :
কলারোয়ার কাশিয়াডাঙ্গা-ত্রিমোহনী কপোতাক্ষ নদের ২৭৫ ফুট দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো এখন মরণ ফাঁদ - আজকের সাতক্ষীরা দর্পণ
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
📰সাতক্ষীরাতে দলিল লেখকের ভুলে নিঃস্ব কৃষক: দায় নেবে কে?📰বিভাগীয় পর্যায়ে পাঁচ শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫ সম্মাননা প্রদান📰সাতক্ষীরায় যুবদল নেতা নুর ইসলামের তাণ্ডব: এক সপ্তাহে সাংবাদিকসহ তিনজনের ওপর হামলা📰৮০ শতাংশ মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সাতক্ষীরা: অপরাধীদের আতঙ্কের নাম পুলিশ সুপার📰দেবহাটা ধোপাডাঙ্গায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে ১০ লক্ষ্য টাকার মালামাল পুড়ে ছাই📰দেবহাটা হাদিপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ধান রোপন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা📰কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের আয়োজনে মাহে রামজানে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত📰তরমুজ চাষে ব্যস্ত কয়রা উপকূলের চাষিরা📰সাতক্ষীরায় হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী করার দাবি📰র‌্যাব-৬ এর অভিযানে দেবহাটায় বিপুল মাদক জব্দ, তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার

কলারোয়ার কাশিয়াডাঙ্গা-ত্রিমোহনী কপোতাক্ষ নদের ২৭৫ ফুট দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো এখন মরণ ফাঁদ

প্রতিবেদকের নাম :
  • হালনাগাদের সময় : শনিবার, ৫ মার্চ, ২০২২
  • ৭১ সংবাদটি পড়া হয়েছে

কলারোয়া প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়া ও যশোরের কেশবপুর উপজেলার কাশিয়াডাঙ্গা-ত্রিমোহনী বাজার বিভক্তকারী কপোতাক্ষ নদের ওপর সংযোগ সেতু না থাকায় সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন দুটি উপজেলার প্রায় ৩০ গ্রামের মানুষ। ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ২৭৫ ফুট দীর্ঘ বাঁশের সাঁকোতেই পারাপার হতে হচ্ছে জনসাধারণের। বলতে গেলে এই একটিমাত্র সাঁকোই গ্রামগুলোর ৫০হাজার মানুষের ভরসা। স্থানীয়রা জানান-কলারোয়া ও কেশবপুর উপজেলার সঙ্গে দ্রুততম সময়ে যোগাযোগের মাধ্যম ও বাণিজ্যিক সুবিধা থাকায় দুই উপজেলার প্রায় ৩০ গ্রামের মানুষ এই বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করেন। কিছুদিন পর পর স্থানীয়রা সাঁকোটি সংস্কার করলেও সপ্তাহ না যেতেই পুনরায় নড়বড়ে হয়ে পড়ছে। তার পরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন এ সাঁকো দিয়ে কাশিয়াডাঙ্গার ২টি ও ত্রিমোহনীর ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যাতায়াত করে থাকেন। ব্যাহত হচ্ছে জরুরি চিকিৎসাসেবা। তারা আরও জানান, কাশিয়াডাঙ্গা-ত্রিমোহনী বাঁশের সাঁকো দিয়ে কলারোয়া উপজেলার কাশিয়াডাঙ্গা, মাঠপাড়া, ছলিমপুর, পাকুড়িয়া, দলুইপুর, বড় খলসী, ছোট খলসী, বামনখালী, গড়ান বাজার, ক্ষেত্রপাড়া ও ওফাপুর এবং কেশবপুর উপজেলার চাদড়া, বেলতলা, হাজরাকাটি, খাজুরা, হাকিমপুর, পাজাখোল, রাজগঞ্জ, বরনডালি, ঘোপসানা, জাহানপুর, নিমতলা, ভোগতিসহ দুই উপজেলার প্রায় ৩০ গ্রামের মানুষ। কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের লিয়াকত আলী জানান, স্থানীয় মানুষের চলাচলের জন্য ২০০১ সালে তিনিসহ স্থানীয় ২০-২২ যুবকের সহায়তায় কপোতাক্ষ নদের ওপর কাশিয়াডাঙ্গা-ত্রিমোহনী বাজারে ২৭৫ফুট দীর্ঘ বাঁশের সাঁকোটি তৈরি করেন। সে সময় সাঁকো তৈরিতে তাদের ৪লাখ টাকা খরচ হয়। সাঁকোটি তৈরির পর কয়েকবার সংস্কার করা হয়। বর্তমানে সংস্কার করলেও সাঁকোটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। তার পরও দুই উপজেলার প্রায় ৫০হাজার মানুষের চলাচলের জন্য নিজেরা সংস্কার কাজ করছি। তিনি আরও বলেন, প্রতিদিন শিশু, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ দুই উপজেলার শত শত মানুষ এই সাঁকো দিয়ে চলাচল করে থাকে। এ ছাড়া মোটরসাইকেল, বাইসাইকেলসহ ছোট যান চলাচল করায় ঘটছে দুর্ঘটনা। দীর্ঘ কয়েক বছর যাবৎ এখানে একটি পাকা সেতু নির্মাণের দাবি করলেও এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। কলারোয়ার ক্ষেত্রপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান জানান, কাশিয়াডাঙ্গা-ত্রিমোহনী বাজারে সংযোগ সেতু না থাকায় আমাদের (সাতক্ষীরা জেলার অধিবাসী) বেশি দুর্ভোগ হচ্ছে। কারণ কলারোয়া বাজার থেকে কেশবপুরের দূরত্ব কম হওয়ায় উৎপাদিত ফসল কেশবপুর মোকামে বিক্রি করতে হয়। কিন্তু বাঁশের সাঁকো দিয়ে ভ্যান চলাচল করতে না পারায় এসব মালামাল নিজেদের ঘাড়ে নিয়ে সাঁকো পার হতে হয়। দেয়াড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবর রহমান মফে জনদুর্ভোগের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি কপোতাক্ষ নদের ওপর (কাশিয়াডাঙ্গা-ত্রিমোহিনী) পাকা সেতু নির্মাণের। এছাড়া এখানে সেতু নির্মাণ হলে কলারোয়া উপজেলার ব্যবসা-বাণিজ্যসহ অর্থনীতির উন্নয়ন হবে। কলারোয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু জানান, কাশিয়াডাঙ্গা ও কেশবপুর উপজেলার ত্রিমোহিনী বাজার সংলগ্ন কপোতাক্ষ নদের ওপর পাকা সংযোগ সেতু নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিনের। তিনি বলেন, উপজেলার উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগ দূর করতে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা করা হয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর :

সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি:

এম এ কাশেম (পিএইচডি -গবেষক,এডুকেশন-মালেশিয়া) এম এ ক্রিমিনোলজি, এমবিএ-লন্ডন।).....01748159372

সম্পাদক ও প্রকাশক:

মো: তুহিন হোসেন (বি.এ অনার্স,এম.এ)...01729416527

© All rights reserved © 2020-2025
প্রযুক্তি সহায়তায়: csoftbd