1. nokhatronews24@gmail.com : ajkarsatkhiradarpan darpan : ajkarsatkhiradarpan darpan
  2. install@wpdevelop.org : sk ferdous :
এই গোপন কান্না এত কষ্টের, কারও সঙ্গে শেয়ারও করা যায় না : আইজিপি - আজকের সাতক্ষীরা দর্পণ
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৪ অপরাহ্ন
২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
📰আজ পবিত্র শবে মেরাজ📰সাতক্ষীরা-৩ আসনে কোন প্রার্থীর সম্পদশালী📰সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার যমুনা টিভির প্রতিনিধি📰সেবা প্রত্যাশীদের ব্যক্তিগত উপাত্ত উদ্যোক্তাদের নিকট আমানত – ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব📰লাবসায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল📰সাতক্ষীরা-২ আসনে কে কত সম্পদশালী, শিক্ষায় এগিয়ে কে?📰সাতক্ষীরায় সেনা অভিযানে মাদকসহ ৩জন গ্রেপ্তার📰আব্দুল আহাদ সরদারের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত📰ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপি’র উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল📰সাতক্ষীরায় বাস–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত

এই গোপন কান্না এত কষ্টের, কারও সঙ্গে শেয়ারও করা যায় না : আইজিপি

প্রতিবেদকের নাম :
  • হালনাগাদের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর, ২০২১
  • ১৪০ সংবাদটি পড়া হয়েছে

ন্যাশনাল ডেস্ক: মাদকাসক্ত ব্যক্তির পরিবারের অবস্থা বর্ণনা করে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, ‘পুলিশে চাকরি করার সুবাদে গরিব বা ধনী পরিবারের কেউ যদি মাদকাসক্ত হয়, তাহলে পরিবারটির কী অবস্থা, তা দেখার দুর্ভাগ্য আমার অনেকবার হয়েছে। এই সমাজের অনেক সম্মানিত ব্যক্তির নীরব কান্না দেখতে হয়েছে আমাকে। এই গোপন কান্না এত কষ্টের, যা কারও সঙ্গে শেয়ারও করা যায় না সামাজিক মর্যাদার কারণে। কিন্তু আমার কাছে এসে শেয়ার করেছেন। এ রকম ঘটনা য়েছে যে, তার ছেলে, স্ত্রী কিংবা মেয়েকে গোপনে চিকিৎসা দিতে হয়েছে। কারণ, সমাজে তার সম্মান রয়েছে, তাই কেউ যেন জানতে না পারে।’
‘এ ছাড়া প্রচলিত মাদক নিরাময় কেন্দ্রগুলোতে নাম-পরিচয় দিতে হয় বলে অনেকেই ছেলে-মেয়েদের চিকিৎসা দিতে আগ্রহী হন না। আবার যাকে চিকিৎসা করবে সে চিকিৎসা নেবে না। পরিবার চায় ধরে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে যা অনেকসময় আইনসম্মত নাও হতে পারে। বাংলাদেশের সংবিধান রয়েছে, এ দেশের মানুষ স্বাধীন ও মুক্ত। তাই কারো ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোথাও নিয়ে যাওয়া যায় না। এরকম অনেক সমস্যা আমি দেখেছি,’- বলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে মাদকাসক্তি নিরাময় ও মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শ কেন্দ্রের (ওয়েসিস) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আজিজুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মো. হাবিবুর রহমান।
আইজিপি বলেন, ‘কোনো মাদকই দেশে তৈরি হয় না। ফেনসিডিল আসে প্রতিবেশী এক দেশ থেকে, জনপ্রিয় মাদক ইয়াবা আসে প্রতিবেশী আরেক দেশ থেকে। এখন আবার আসছে আইস, যা প্রতিবেশী এক দেশসহ পশ্চিমা বিভিন্ন দেশ থেকে আসে।’
‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে আমরা যে কাজটা করার চেষ্টা করি, সেটা হচ্ছে মাদকের সাপ্লাই কামানো। এসব দমনের জন্য ৬ থেকে ৭টা বাহিনী একসঙ্গে কাজ করছে।’
তিনি বলেন, ‘কাস্টমস বিভিন্ন পোর্টে মাদক দমনে কাজ করে। কিন্তু যদি ডিমান্ড (চাহিদা) থাকে, কোনো না কোনোভাবে দেশে মাদকের সাপ্লাই হবেই। আর সেটা যদি হয় ১ কোটি, ৮০ লাখ ও ৩৬ লাখ তাহলে প্রত্যেক দিন এই মাদক কোনো না কোনোভাবে দেশে প্রবেশের চেষ্টা হবেই। সে কারণে অবশ্যই আমাদের মাদকের ডিমান্ড কমাতে হবে। ডিমান্ড কমাতে হলে যারা মাদকাসক্ত আছে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। সেক্ষেত্রে ওয়েসিস আমাদের অতি ক্ষুদ্র একটি উদ্যোগ।’
‘এনজিওসহ বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে মাদকাসক্ত মানুষের সংখ্যা ৮০ লাখ, আবার কেউ কেউ বলেন ১ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। ২০১৮ সালে জনস্বার্থ ইনস্টিটিউটের এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বাংলাদেশে মাদকাসক্ত মানুষের সংখ্যা ৩৬ লাখ। কিন্তু বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে মোট বেড আছে মাত্র ৭ হাজার। তাহলে এতসংখ্যক মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে আমরা কত বছরে চিকিৎসা দেব?’
পুলিশ প্রধান বলেন, ‘আমরা মানিগঞ্জের কালিগাঙ্গা নদীর তীরে মনোরম পরিবেশে একটি মাদক নিরাময়কেন্দ্র বা হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা করেছি। সেখানে আমরা ইতোমধ্যে নদীর তীরে ২০ বিঘা জমি কিনেছি। আমি পারলে ১০০ বিঘা জমি কিনতে চাই। সেখানের পরিবেশে ঢুকলে মানুষের মন যেন ভালো হয়ে যায়। আমরা এমন একটি পরিবেশে ৫০০ থেকে ১ হাজার বেডের হাসপাতাল তৈরি করতে চাই। এটাকে আমরা মাদক চিকিৎসার ক্ষেত্রে রিজনাল হাব করতে চাই।’
ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশ বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে অনেক ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রোলমডেল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আমরা সবাই মিলে উদ্যোগ নিলে মাদকাসক্ত চিকিৎসার ক্ষেত্রেও এই অঞ্চলে মডেল হতে পারি। ২০৪১ সালে দেশে আধুনিক দেশে পরিণত হবে। সে দেশের নেতৃত্ব দেবে কারা, যদি আমাদের তরুণ প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যায়? সেই ধনী দেশে বসবাস করবে কারা? সে কারণে আমাদের এই বর্তমান প্রজন্মকে রক্ষা করতে হবে। সে কারণে আমি মনে করি, এই উদ্যোগ আপনারা নিয়েছেন, এমন উদ্যোগ আরও অনেকে নেবেন। যারা মনে করেন ঝামেলায় যাবেন না, নিজেরা উদ্যোগ গ্রহণ করে আমাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন।’

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর :

সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি:

এম এ কাশেম (পিএইচডি -গবেষক,এডুকেশন-মালেশিয়া) এম এ ক্রিমিনোলজি, এমবিএ-লন্ডন।).....01748159372

সম্পাদক ও প্রকাশক:

মো: তুহিন হোসেন (বি.এ অনার্স,এম.এ)...01729416527

© All rights reserved © 2020-2025
প্রযুক্তি সহায়তায়: csoftbd