1. nokhatronews24@gmail.com : ajkarsatkhiradarpan darpan : ajkarsatkhiradarpan darpan
  2. install@wpdevelop.org : sk ferdous :
‘খুনের পর লাশ গুম’র মামলা, ৫ বছর পর জীবিত উদ্ধার রিপন - আজকের সাতক্ষীরা দর্পণ
মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন
১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
📰কলারোয়ায় ট্রাকভর্তি নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর জব্দ📰সাতক্ষীরাতে সরকারের নির্ধারিত দামে মিলছে না গ্যাস📰চলতি মাসের শেষে একাধিক তাপপ্রবাহ, কালবৈশাখীর পূর্বাভাস📰সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর দূর্বৃত্তদের হামলা জেলা সাংবাদিক এসোসিয়েশন সাতক্ষীরা’র তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ📰সাতক্ষীরাতে দলিল লেখকের ভুলে নিঃস্ব কৃষক: দায় নেবে কে?📰বিভাগীয় পর্যায়ে পাঁচ শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫ সম্মাননা প্রদান📰সাতক্ষীরায় যুবদল নেতা নুর ইসলামের তাণ্ডব: এক সপ্তাহে সাংবাদিকসহ তিনজনের ওপর হামলা📰৮০ শতাংশ মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সাতক্ষীরা: অপরাধীদের আতঙ্কের নাম পুলিশ সুপার📰দেবহাটা ধোপাডাঙ্গায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে ১০ লক্ষ্য টাকার মালামাল পুড়ে ছাই📰দেবহাটা হাদিপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ধান রোপন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

‘খুনের পর লাশ গুম’র মামলা, ৫ বছর পর জীবিত উদ্ধার রিপন

প্রতিবেদকের নাম :
  • হালনাগাদের সময় : বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
  • ১২৪ সংবাদটি পড়া হয়েছে

ন্যাশনাল ডেস্ক: খুন-গুমের অভিযোগে করা মামলার ৫ বছর পর নিখোঁজ রকিবুজ্জামান রিপনকে জীবিত উদ্ধার করেছে পিবিআই। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার দিকে সিনিয়ার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তারিক হাসানের আদালতে তাকে হাজির করা হয়। রকিবুজ্জামান রিপন মহেরপুর সদর উপজেলার বুড়িপোতা ইউনিয়নের গোভীপুর গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে। ঘটনার সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে রকিবুজ্জামান রিপনের সাথে গাংনী হাটবোয়ালি গ্রামের আকবর আলীর মেয়ে শ্যামলী খাতুনের বিয়ে হয়। পারিবারিক অশান্তির কারণে বিয়ের কিছুদিন পর থেকে সে শ্বশুর বাড়ি হাটবোয়ালি গ্রামে বসবাস করতো। এরপর ২০১৭ সালে হঠাৎ করে কাউকে কিছু না জানিয়ে রিপন নিরুদ্দেশ হয়। এর পর রিপনের বাবা মনিরুল ইসলাম ২০১৮ সালে ১০ ডিসেম্বর সিনিয়ার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৩৬৪/১০৯ পেনেল কোড ধারায় ছেলের বৌ শ্যামলি খাতুন, বেয়াই আকবর আলী, বিয়ান সুফিরন ও তক্কেল আলীর নামে মামলা করে। রিপোনের পিতা মনিরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ একবছর আমি আমার সন্তানের কোনো খোঁজ খবর পাইনি। এরপর আমার বেয়াই আকবর আলী বিদেশে চলে যায়। এতে আমার সন্দেহ হয় আমার ছেলেকে খুন করে গুম করা হয়েছে। আমি কোর্টে মামলা করি। কোর্ট বিষয়টি পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পিবিআই আমাদের কাছ থেকে মোবাইল নম্বর ছবি নিয়ে তাকে উদ্ধার করে। তিনি আরো বলেন আমার ছেলের তিনটা বৌ। তবে সে কেন নিখোঁজ হয়েছিলো আমি জানি না। রিপোনের স্ত্রী শ্যামেলী খাতুন বলেন, ২০১৬ সালের জানুয়ারীর ৯ তারিখে আমাদের বিয়ে হয়। এর কিছুদিন পর থেকে সে আমাকে নিয়ে আমার বাবার বাড়িতে বসবাস করতো। আমাদের ঘরে একটি কণ্যা সন্তানের জন্ম হয়। ২০১৭ সালের ১৫ এপ্রিল আমাকে কিছু না জানিয়ে সে চলে যায়। এরপর থেকে সে আর আমাদের সাথে যোগাযোগ করেনি। আমার শ্বশুর শাশুড়িকে বিষয়টি আমি জানাই। তখন তারা আমাকে বলে তাদের দাবিকৃত যৌতুকের টাকা দিলে তারা আমাকে নিয়ে আসবে। তাদের ছেলে আমার সাথে সংসার করবে। কিন্তু আমার বাবার সে টাকা দেবার সামর্থ নেই। আমার বাবা একজন দিনমজুর। এর কিছুদিন পর আমাদের বাড়ি পুলিশ যায়। পুলিশ আমাদের জানায় আমাদের নামে আমার স্বামীকে খুন করে গুমের অভিযোগ আছে। এরপরে পুলিশ তদন্তে করে রিপোর্ট দেয় সে আত্মগোপনে আছে। এরপর আদালত পিবিআইকে তদন্ত দেয়। তারা তদন্ত করে। আমি আর আমার মা বহু হয়রানির শিকার হয়েছি। আদালতের কাছে আমার দাবি আমার হয়রানির বিচার ও আমার সন্তানের নিশ্চিত ভবিশ্যতের ব্যবস্থা যেন হয়।
তিনি আরো বলেন, আমার স্বামীর আগে একটা বৌ ছিলো আমরা জানতাম না। তা ছাড়া সে নেশা করতো ও নারীর উপর আশক্ত ছিলো। আমি এগুলোতে বাধা দিলে আমাদের মধ্যে বিরোধ হয়।
কুষ্টিয়া পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. শহীদ আবু সরোয়ার লিখিত প্রেস বিফিংএ বলেন, ভিকটিম রিপন কৌশলে মো. শরিফুল ইসলাম ছদ্ম নাম ধারণ করে গত ২০২০ সালের ১০ মার্চ গাইবান্ধা জেলার শিমিলা আক্তার নামে এক নারীকে বিবাহ করে । এছাড়া সে ডার্ড কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড ইলেকট্রিক্যাল পদে চাকুরি করছিলো। দীঘ ৫ বছর পর প্রযুক্তি ব্যবহার করে রিপনকে সুস্থ ও জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর :

সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি:

এম এ কাশেম (পিএইচডি -গবেষক,এডুকেশন-মালেশিয়া) এম এ ক্রিমিনোলজি, এমবিএ-লন্ডন।).....01748159372

সম্পাদক ও প্রকাশক:

মো: তুহিন হোসেন (বি.এ অনার্স,এম.এ)...01729416527

© All rights reserved © 2020-2025
প্রযুক্তি সহায়তায়: csoftbd