1. nokhatronews24@gmail.com : ajkarsatkhiradarpan darpan : ajkarsatkhiradarpan darpan
  2. install@wpdevelop.org : sk ferdous :
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে দিশেহারা সাতক্ষীরার সাধারণ মানুষ-বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা - আজকের সাতক্ষীরা দর্পণ
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
📰সাতক্ষীরায় অর্ধেকে নেমেছে খেজুরের রস-গুড় উৎপাদন📰আশাশুনির প্রতাপনগরে বাড়ির মালিককে অজ্ঞান করে দস্যুবৃত্তি📰সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক দলের উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান📰দেবহাটায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান📰আজ পবিত্র শবে মেরাজ📰সাতক্ষীরা-৩ আসনে কোন প্রার্থীর সম্পদশালী📰সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার যমুনা টিভির প্রতিনিধি📰সেবা প্রত্যাশীদের ব্যক্তিগত উপাত্ত উদ্যোক্তাদের নিকট আমানত – ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব📰লাবসায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল📰সাতক্ষীরা-২ আসনে কে কত সম্পদশালী, শিক্ষায় এগিয়ে কে?

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে দিশেহারা সাতক্ষীরার সাধারণ মানুষ-বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

প্রতিবেদকের নাম :
  • হালনাগাদের সময় : রবিবার, ১৩ মার্চ, ২০২২
  • ৪৮ সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি: শবে বরাত ও রমজানকে ঘিরে বাজারে লেগেছে আগুন । এরইমধ্যে সাতক্ষীরায় সব ধরণের পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। সাতক্ষীরার বিভিন্ন কাঁচাবাজারগুলোতে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে কাঁচামরিচসহ সব ধরনের শাকসবজির দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৪০-৪৫ টাকার কাঁচামরিচের দাম বেড়ে হয়েছে ৭৫-৮০ টাকা। অর্থাৎ, গত সপ্তাহের তুলনায় দাম বেড়েছে কেজিতে ২৫-৩০ টাকা। অপরদিকে, বেড়েছে অন্যান্য সবজির দামও। গতকাল উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ১৬ টাকায় গত সপ্তাহে যা ছিল ১৩ টাকা, দেশি পেঁয়াজ গত সপ্তাহে ছিল ৩৫ টাকা কেজি বর্তমানে তা ৫০ টাকা, দেশী আদা ৭৫ টাকা কেজি গত সপ্তাহে যার ছিল ৬৫ টাকা, দেশী রসুন ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে গত সপ্তাহে ছিল ৫০ টাকা। সবজির দোকানগুলোতে যথেষ্ট সরবরাহ রয়েছে ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, লাউ, কাঁচা পেঁপে, লাল শাক, বেগুণ, গাজর, মিষ্টি কুমঙা, করলা, কচুর লতি, ঢেঁড়স অন্যান্য সবজির। তবে দামের ক্ষেত্রে কোনো সবজিই গত সপ্তাহের বাজারদরে নেই। গত সপ্তাহের দামের তুলনায় এসব সবজি দাম কেজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা টাকা। এছাড়া বেড়েছে মুদি পণ্য ও মসলার দামও, চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে গত সপ্তাহে দাম ছিল ৭৫ টাকা। সোয়াবিন তেল ১৮০ টাকা লিটার গত সপ্তাহে যা ছিল ১৬৫-১৬০ টাকা লিটার। মুগ ডাল ১৩০ টাকা গত সপ্তাহে যা ছিল ১১০, বুটের ডাল ৭৫ টাকা গত সপ্তাহে ছিল ৭০ টাকা কেজি, মসুর ডাল ১২০ টাকা গত সপ্তাহে ছিল ৯৫-১০০ টাকা, ছোলা ৭৫ টাকা গত সপ্তাহের ম‚ল্য ছিল ৭০ টাকা কেজি। জিরা কেজি ৪২০ টাকা, বড় এলাচ কেজি ২৫০০ টাকা, ছোট এলাচ ১৮০০ টাকা, দারুচিনি ৪০০ টাকা, লবঙ্গ ১০০০ টাকা, কিসমিস ৩৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মিনিকেট চাল ৬৫ টাকা কেজি গত সপ্তাহে ছিল ৬৩ টাকা, মোটা স্বর্ণা চাল ৪৫ কেজি গত সপ্তাহে ছিল বর্তমানে ৪৮ টাকা কেজি। খোলা আটা ৩৩ টাকা কেজি গত সপ্তাহে যা ছিল ৩০ টাকা। প্যাকেট আটা ৪০ টাকা কেজি গত সপ্তাহে ছিল ৩৮ টাকা। উপজেলার বড় বাজার, কদমতলা, মিল বাজার, ঝাউডাঙ্গা বাজার সহ বিভিন্ন বাজারে দেখা যায়, মুরগি, গরু ও ছাগলের মাংসের দাম আরেক দফা বেড়েছে। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৫০ টাকা গত সপ্তাহে যাওয়া ছিল ১৩৫, সোনালি ২৭০ টাকা গত সপ্তাহে ছিল ২৪০ এবং দেশি মুরগি ৪০০-৪১০ টাকা কেজি দাম বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। এছাড়া গরুর মাংস ৬০০ টাকা কেজি গত সপ্তাহের থেকে বৃদ্ধি ২০ টাকা। গত সপ্তাহে খাসির মাংস ছিল ৮০০ টাকা কেজি বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ টাকা কেজি দরে। ফার্মের মুরগির ডিমে বর্তমান বাজার দর ৩৬ টাকা হালি (৪টি এক হালি)। গত সপ্তাহে যা ছিল ৩৪ টাকা। নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক ম‚ল্যবৃদ্ধিতে মধ্যবিত্তদের সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বাজারে গিয়ে চাল কিনলে তেল কিনতে পারছে না। তেল কিনলে ডাল কিনতে পারছে না। বলা যায় মানুষের এক দুর্বিষহ অবস্থা যাচ্ছে। নিম্নআয়ের মানুষের আরো করুণ অবস্থা। তাদের তো খেয়ে না খেয়ে দিন যাচ্ছে। বকচরা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আব্দুর রশিদ বাজার করতে এসেছেন সার্কিট হাউজ এলাকায়, তিনি বলেন, অনেকদিন যাবৎ বাজারে চালের দাম খুব বেশি। বর্তমানে ৪০ টাকায়ও মোটা চাল পাওয়া যাচ্ছে না। এরইমধ্যে তেল, চিনি, ডাল, আটার দামও বাড়ছে। এছাড়া তেলের দাম নাগালের বাইরে চলে গেছে। আমার এখন সংসার চালানো খুব কষ্টকর হয়ে পড়েছে। কদমতলা বাজারের সবজি ব্যবসায়ী আব্দুল হামিদ বলেন, আমদানি কম তাই দাম বেশি। তিনি আরো বলেন, শীতকালীন সবজি শেষের দিকে তাই দাম কিছুটা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভুক্তোভোগীরা বলছেন, বাজারে সরকারের তেমন নজরদারী নেই। মাঝেমধ্যে কোথাও কোথাও ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে দু’চারজনের জরিমানা করে মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচার করা হয়। বাস্তবে কোথাও তদারকী নেই।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর :

সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি:

এম এ কাশেম (পিএইচডি -গবেষক,এডুকেশন-মালেশিয়া) এম এ ক্রিমিনোলজি, এমবিএ-লন্ডন।).....01748159372

সম্পাদক ও প্রকাশক:

মো: তুহিন হোসেন (বি.এ অনার্স,এম.এ)...01729416527

© All rights reserved © 2020-2025
প্রযুক্তি সহায়তায়: csoftbd