1. nokhatronews24@gmail.com : ajkarsatkhiradarpan darpan : ajkarsatkhiradarpan darpan
  2. install@wpdevelop.org : sk ferdous :
সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে মাদক কারবারি সিন্ডিকেড বেপরোয়া - আজকের সাতক্ষীরা দর্পণ
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
📰সাতক্ষীরায় অর্ধেকে নেমেছে খেজুরের রস-গুড় উৎপাদন📰আশাশুনির প্রতাপনগরে বাড়ির মালিককে অজ্ঞান করে দস্যুবৃত্তি📰সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক দলের উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান📰দেবহাটায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান📰আজ পবিত্র শবে মেরাজ📰সাতক্ষীরা-৩ আসনে কোন প্রার্থীর সম্পদশালী📰সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার যমুনা টিভির প্রতিনিধি📰সেবা প্রত্যাশীদের ব্যক্তিগত উপাত্ত উদ্যোক্তাদের নিকট আমানত – ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব📰লাবসায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল📰সাতক্ষীরা-২ আসনে কে কত সম্পদশালী, শিক্ষায় এগিয়ে কে?

সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে মাদক কারবারি সিন্ডিকেড বেপরোয়া

প্রতিবেদকের নাম :
  • হালনাগাদের সময় : বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫
  • ৪৩ সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দরসহ আশপাশের সীমান্তে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে মাদক কারবারিরা। চারপাশেই যেন মাদকের ছড়াছড়ি, রীতিমতো মহোৎসবে মেতেছে মাদকসেবি ও চোরাচালানিরা। ৫ আগষ্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ও ভারত স্ব-স্ব সীমান্তে অঘোষিত রেড এলার্ট জারি করলেও কোনভাবেই দমানো যায়নি মাদক কারবারি চক্রকে। দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কড়া নজরদারি থাকা স্বত্ত্বেও প্রতিনিয়ত বাংলাদেশে ঢুকছে কোটি কোটি টাকার মাদকের চালান। বিনিময়ে একই পথ ধরে ভারতে চালান ঢুকছে স্বর্ণের। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, জেলার সীমান্ত এলাকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি মাদকের চালান ঢুকছে সদর উপজেলার ভোমরা, হাড়দ্দহা, লক্ষ্মীদাড়ি, ঘোষপাড়া ও ঘোনা-গাজীপুরের চোরাই পথগুলো ধরে। প্রতিদিন সন্ধ্যা নামার পর থেকেই শুরু হয় মাদক পারাপারের তোড়জোড়।
এরমধ্যে ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে ঢোকে মাদকের বড় চালান গুলো। ভোমরা স্থল বন্দর সংলগ্ন প্রত্যেকটি অলিগলিতে হাত বাড়ালেই মেলে ফেনসিডিল, বিদেশি ব্রান্ডের মদ, এলএসডি, ইয়াবা ট্যাবলেট, গাঁজাসহ প্রায় সব ধরনের মাদকদ্রব্য পবিত্র রমজান মাসেও থেমে নেই মাদক কারবারিরা, প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চিহ্নিত স্পট গুলোতে ঢুকে প্রকাশে মাদক সেবন বা কিনে সাথে করে নিয়ে যাচ্ছে মাদকসেবিরা। শুধুমাত্র ভোমরা সীমান্তেই মাদক বিক্রি ও চোরাচালানে ৩০টির মত সংঘবদ্ধ সক্রিয় চক্র রয়েছে। অনুসন্ধানে যেসকল মাদক ব্যবসায়ীর নাম উঠে এসেছে তাদের মধ্যে শুরুতেই আছে ভোমরা ইউনিয়নের শ্রীরামপুরের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আরশাদ আলী ওরফে ভোদু। অন্তত ২ যুগ ধরে স্বপরিবারে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে ভোদু।
তার ছেলে শামীম, জামাই হালিম মাস্টার সবাই পেশাদার মাদক কারবারি। এদের প্রত্যেকেরই রয়েছে মাদকের পৃথক ব্যবসা। ৮ বছর আগে পুলিশের ক্রসফায়ারের ভয়ে ভারতে পালিয়ে গিয়ে বসবাস শুরু করে ভোদু। বছর তিনেক আগে আবার সাতক্ষীরায় ফিরে শুরু করে মাদক কারবার।
হালিম মাস্টার ভোমরা টাওয়ার মোড়ে বসবাস করলেও পুরো সীমান্তে রয়েছে তাদের মাদক কারবারের শক্ত নেটওয়ার্ক। বাড়িতে বসেই পাইকারি ও খুচরা মাদক বিক্রি করেন হালিম মাস্টার টাওয়ার মোড়ে বসে দু’জন সহকারীকে দিয়ে মাদক বিক্রি করান।
হালিম মাস্টারের নামে একাধিক মাদকের মামলা। সীমান্তে মাদক চোরাচালান ও ব্যবসা করে ভোদুসহ তার পরিবারের সদ্যসরা বনে গেছে লাখপতি। কিনেছে বিঘা-বিঘা, গড়েছে টাইলস বাঁধানো আলিশান বাড়ি।
ভোমরা সীমান্তের অন্যান্য মাদক কারবারিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হিসেবে তালিকায় আরও রয়েছে মাহমুদপুরের নাটাপাড়া এলাকার গাঁজা ব্যবসায়ী আবু তালেবের ছেলে ফেনসিডিল ব্যবসায়ী তুহিন, মাহমুদপুর গাঙ্গানিয়ার বশির কারিকরের ছেলে আজিজুল ইসলাম পলতা, মাহমুদপুর নাটাপাড়া এলাকার সাইদুল, মাহমুদপুর এলাকার হান্নান, গয়েশপুর এলাকার মৃত ছলে সরদারের ছেলে ফারুক, ভোমরা হাড়দ্দাহ এলাকার পোল্ট্রি রমজান, শ্রীরামপুরের এলাকার হাসান, বকুলসহ আরও অন্তত ডজনখানেক মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারি। বছরের পর বছর ধরে তারা সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় মাদকের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।
তাছাড়া সক্রিয় এসব মাদক সিন্ডিকেটের সাথে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, থানা পুলিশ, গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি)’র কতিপয় অসাধু সদস্যদের সখ্যতা বা গোপন চুক্তি থাকার ফলেও ইচ্ছে থাকা স্বত্ত্বেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের দমন করতে পারছেনা বলেও মনে করেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। ভোমরা স্থল বন্দর এলাকার একাধিক সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় দিন দিন সীমান্তে মাদকের আগ্রাসন ও মাদক কারবারিদের দৌরাত্ম বাড়ছে।
এ বিষয়ে মাষ্টার হালিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আগে মাদকের ব্যাবসা করছি কিন্তুু এখন অনেক কমায় দিয়েছি বলে ফোন কেটে দেয়।
সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি)র অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আশরাফুল হক বলেন, বিজিবি সদস্যরা প্রতিদিন মাদকবিরোধী বিশেষ টহল পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক ও বিভিন্ন ধরনের মালামাল জব্দ করছে। সীমান্তে অপরাধরোধে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অভিযান অব্যহত আছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, সীমান্তের ৮ কিলোমিটার এলাকা সম্পূর্ন বিজিবির নিয়ন্ত্রণে। সেখানে পুলিশও ইচ্ছেমতো যেতে পারেনা। তবুও মাদক ও অপরাধ দমনে পুলিশ সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রত্যেকটি সুনাগরিককে এগিয়ে আাসারও আহ্বান জানান তিনি।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর :

সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি:

এম এ কাশেম (পিএইচডি -গবেষক,এডুকেশন-মালেশিয়া) এম এ ক্রিমিনোলজি, এমবিএ-লন্ডন।).....01748159372

সম্পাদক ও প্রকাশক:

মো: তুহিন হোসেন (বি.এ অনার্স,এম.এ)...01729416527

© All rights reserved © 2020-2025
প্রযুক্তি সহায়তায়: csoftbd