
সদর প্রতিনিধি: জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরা সদরের কুশখালীতে যুবদল নেতা ও তার দুই ছেলের স-ন্ত্রাসী হামলায় প্রাইমারী স্কুলের দুই শিক্ষকসহ তিনজন মারাত্মক জখম হয়েছেন। বর্তমানে তারা সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সোমবার(১০ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে কুশখালী বাজারের পশ্চিম পাশে ওই ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, কুশখালী গ্রামের মৃত বিমল রায়ের ছেলে শিক্ষক অশোক রায় ও দীপক রায় এবং মৃত জিতেন রায়ের ছেলে শিক্ষক রতন রায়।
ওই ঘটনায় স্থানীয়রা কুশখালী গ্রামের মৃত খগেন বিশ্বাসের ছেলে যুবদল নেতা অরুণ বিশ্বাস, তার দুই ছেলে প্রশান্ত বিশ্বাস ও সুশান্ত বিশ্বাস এবং স্ত্রী অর্চনা রায়কে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে গেছে।
সামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিক্ষক রতন রায় বলেন, জমি নিয়ে অরুণ বিশ্বাসের সাথে আমাদের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। ৫ আগস্টের পর হঠাৎ অরুণ বিশ্বাস স্থানীয় কতিপয় যুবদল নেতাকে নিয়ে তার ক্রয়কৃত ৪ শতক জমি ছাড়াও আমাদের প্রায় ২ শতক জমি দখল করে প্রাচীর নির্মাণ করেন। এছাড়া তারা আমাদের জমিতে সম্প্রতি ছাউনি দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা স্থানীয়দের কাছে নালিশ দেই এবং আইনের আশ্রয় গ্রহণ করি। সোমবার সকালে আমার ভাইপো অশোক রায় স্কুলে যাচ্ছিল আর আমিও বাজার থেকে বাড়ি যাচ্ছিলাম। হঠাৎ পিছন দিক থেকে অরুণ রায়, তার দুই ছেলে বল্লব ও দা নিয়ে এসে অশোক রায়ের উপর হা-মলা করে। আমি থেকাতে গেলে তারা আমার হাতে ধারালো দা দিয়ে কোপ মারে। পরবর্তীতে আমার আর এক ভাইপো দীপক রায় সংবাদ পেয়ে সেখানে গেলে তারও বুকে ধারালো দা দিয়ে কোপ মারে অরুণ বিশ্বাস ও তার দুই ছেলে প্রশান্ত ও সুশান্ত।
র-ক্তাক্ত অবস্থায় আমাদেরকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।
সাতক্ষীরা থানার ওসি মাসুদুর রহমান বলেন, ওই ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।
অরুণ বিশ্বাস যুবদলের সদস্য বলে নিশ্চিত করেছেন কুশখালী ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক আহবায়ক আমিনুর রহমান।
