
মোঃ কামাল হোসেন, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, হিসেবে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, তালা, সাতক্ষীরা-তে কর্মরত ছিলাম এবং এর পাশাপাশি বিগত ২৬/০৮/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ হতে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, শ্যামনগর, সাতক্ষীরাতে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছিলেন।
তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে বিভ্রান্তিকর, মানহানিকর, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট খবর প্রকাশিত হয়েছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়েছেন।
বিগত ১৫/১০/২০২৬খ্রিঃ তাকে ভেড়ামারা, কুষ্টিয়াতে বদলি করা হয়। সে প্রেক্ষিতে তাকে গত ১৭/১০/২০২৬ তারিখে উপপরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা, সাতক্ষীরা জেলা, সাতক্ষীরা মহোদয় দায়িত্ব হস্তান্তর করতে দাপ্তরিক আদেশ দেন। তিনি বলেন আমার কাছে সরকারি আদেশবলে রক্ষিত দুইটি উপজেলার সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের তিনটি আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তার দায়িত্ব থাকায় সংশ্লিষ্ট দাপ্তরিক কাজ দ্রুত শেষ করে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রস্তুতির মাঝেই আমাকে নিয়ে বানোয়াট, উদ্দেশ্যমূলক, মানহানিকর বিভিন্ন খবর প্রকাশিত হয়েছে যা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। কোন এক স্বার্থান্বেষীমহলের যোগসাজশে আমার সাবেক স্ত্রী (যার সাথে এক বছর আগে আমার ডিভোর্স হয়েছে) এমন কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে আমার অনুমান। আমার সম্পর্কে এমন উদ্ভট, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রকাশ করে শুধু আমার সামাজিক অবস্থানকেই হুমকির মুখে ফেলা হয়নি, বরং একজন সরকারি কর্মকর্তাকে অপমানিত ও নিরাপত্তাহীনতার মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরোও বলেন বিগত ২৬/১০/২০২৫ তারিখে আমার সাবেক স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিনের সাথে আইনিভাবে আমার বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি ঘটে এবং বিধি মোতাবেক ২৬/০২/২০২৬ তারিখে ডিভোর্স কার্যকর হয়। ইতোমধ্যে তালাকের সার্টিফিকেট আমার কাছে রয়েছে। এছাড়া, আমার সন্তান নাবালক হওয়ায় আমি আমার কাছে রাখতে পারিনি বলে প্রতিমাসে সন্তানের ভরণপোষণ বাবদ ব্যাংকের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় টাকা পাঠিয়ে দিই (ব্যাংকের স্টেটমেন্ট সংরক্ষিত রয়েছে)। এছাড়াও সময়ে সময়ে সন্তানের অসুস্থতা, উৎসব বা অন্যান্য প্রয়োজনে আমিও অতিরিক্ত টাকাও পাঠাই (ব্যাংকের স্টেটমেন্ট রয়েছে)।প্রকাশিত উল্লিখিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে প্রকৃত তথ্য যাচাইপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানানো হলো।
