সাতক্ষীরার লাবসা জমিদার বাড়ী পুকুরের গাইড ওয়াল নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

ফিচার সাতক্ষীরা সদর সাতক্ষীরা-জেলা

ওমর ফারুক বিপ্লব : সাতক্ষীরা শহরে লাবসার জমিদার বাড়ীর পুকুর পাড় ভাঙন রোধে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের অধিনে ৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে গাইড ওয়াল নির্মাণ করেছেন। তবে এক মাস না যেতেই সেই গাইড ওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং একাংশ হেলে পড়েছে । এ ঘটনায় মসজিদের মুসল্লী ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ,গাইড ওয়াল নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। নি¤œমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার ও রড-সিমেন্ট কম দেওয়ায় ১মাসের মধ্যেই গাইড ওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং কিছু অংশ পুকুরের দিকে হেলে পড়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের যোগসাজশে রড সিমেন্ট কম দেয়ার কারণে এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেন। সরোজমিনে দেখা যায়,লাবসা জমিদার বাড়ী পুকুরটি ভাঙন দেখা দিয়েছে যে কোন সময় ওয়ালটি পুকুরে পড়ে যেতে পারে। একাধিকবার জোড়াতালি দিয়ে সংস্কার করা হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ অধিনে সবশেষ ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ওই অংশে গাইড ওয়াল নির্মাণে ৬ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়। সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের অধিনে গাইড ওয়াল নির্মাণে দরপত্র আহবান করে। ওয়াল করার কাজটি করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মোঃ শরিফুল ইসলাম নামে কিন্তু কাজ শেষ হওয়া এক মাস না যেতেই সেই গাইড ওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং একাংশ পুকুরের দিকে হেলে পড়েছে গাইড ওয়াল।
স্থানীয় বাসিন্দা দাউত সরদার জানান, পুকুরের ওয়াল করার সময় আমরা অনেকবার ঠিকাদারকে বলছি সিমেন্ট ও রড কম দিয়েন না কিন্তুু আমাদের কোন কথায় কর্ণপাত না করে তড়িগড়ি করে কাজটি শেষ করে চলে যায়। ওয়ালটি এক মাস না যেতেই হেল পড়ছে আমরা এটি পুনরায় সংস্কারের করা দাবি জানায়।
স্থানীয় এক ঠিকাদার বলেন, কাজটি শেষ না হতেই বিল তুলে নিয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আমরা বছরের পর বছর ধরে কাজ শেষ করেও বিল পাচ্ছি না।
এ বিষয় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উপ-সহকারী প্রকৌশলী হাসিবুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই বলতে পারবো না আপনি আমার উর্ধতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলেন।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মেহেদী মাসুদের কাছে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সিডিউল অনুযায়ী কাজ ঠিক হয়েছে। ওয়াল হেলে পড়ছে সেটি আমার দেখার বিষয় না বলে ফোনটি কেটে দেন।
এ বিষয়ে ঠিকাদার মোঃ শরিফুলের কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাতক্ষীরায় বড় বড় সাংবাদিক আমার বন্ধু। কাজ শেষে বিল উঠে গেছে পরে দেখব।

Share this news as a Photo Card

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *