1. nokhatronews24@gmail.com : ajkarsatkhiradarpan darpan : ajkarsatkhiradarpan darpan
  2. install@wpdevelop.org : sk ferdous :
সাতক্ষীরা তিনজনসহ ১০ জঙ্গির বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং - আজকের সাতক্ষীরা দর্পণ
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ন
২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
📰সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা. ফয়সাল আহমেদের যোগদান📰খাদ্য রপ্তানি নিষিদ্ধ করল ইরান, ঝুঁকিতে কোন দেশ📰তালায় সাংবাদিকদের সম্মানে জামায়াত ইসলামীর ইফতার📰কালিগঞ্জে এমপি রবিউল বাশার কে সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল 📰সাতক্ষীরা মেডিকেল ও হাসপাতালে পরিদর্শনে গিয়ে নিজেই পরিষ্কারে নামলেন এমপি আব্দুল খালেক📰ধুলিহরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল📰কালিগঞ্জ কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল📰কালিগঞ্জে গাছ থেকে পড়ে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু📰পাইকগাছায় নবাগত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তারের যোগদান📰কলারোয়ায় ট্রাকভর্তি নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর জব্দ

সাতক্ষীরা তিনজনসহ ১০ জঙ্গির বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং

প্রতিবেদকের নাম :
  • হালনাগাদের সময় : রবিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৩
  • ৯০ সংবাদটি পড়া হয়েছে

ন্যাশনাল ডেস্ক: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ‘অপারেশন হিলসাইড’ পরিচালনা করে ‘ইমাম মাহমুদের কাফেলা’ জঙ্গি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে ১০ জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)।গতকাল শনিবার মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানার কর্মধা ইউনিয়নের টাট্টিউলি গ্রামের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল টিম জঙ্গি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক দ্রব্য, ৫০টি ডেটোনেটর, ছুরি, রামদাসহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র, কমান্ডো বুট, পাঞ্চিং ব্যাগ, অন্যান্য প্রশিক্ষণসামগ্রী, উগ্রবাদী বই, নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করে। আটক ১০ জনের মধ্যে ৩ জনই সাতক্ষীরা জেলার বাসিন্দা। ওই তিনজন হলো- সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের দক্ষিন নলতা গ্রামের শরিফুল মোড়ল(৪০) এবং তার স্ত্রী ও কন্যা যথাক্রমে আমেনা বেগম(৪০) ও হাবিবা বিনতে শরিফুল(২০)। শরিফুল মোড়ল একই এলাকার মৃত ওমর আলীর ছেলে। আজ রবিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. আসাদুজ্জামান, বিপিএম (বার)।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা প্রত্যেকে কথিত ইমাম মাহমুদের আহ্বানে সশস্ত্র জিহাদে অংশগ্রহণ ও প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য কথিত হিজরতের মাধ্যমে নিজ নিজ গৃহ ত্যাগ করে সপরিবারে উক্ত পার্বত্য এলাকায় আসে এবং প্রশিক্ষণ শুরু করে। সাম্প্রতিক সময়ে যশোর, সিরাজগঞ্জ, জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন বয়সী লোকদের পরিবারসহ ও পরিবার ছাড়া নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। বিষয়টি অনুসন্ধান শুরু করে সিটিটিসির কাউন্টার টেরোরিজম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন। এদের মধ্যে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানা এলাকা থেকে ডা. সোহেল তানজীম রানা, যশোর জেলা থেকে ঢাকার নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী ফাহিম, জামালপুর থেকে এরশাদুজ্জামান শাহিনসহ আরো অনেকের বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়।
তিনি আরো বলেন, ‘চলমান অনুসন্ধানের একপর্যায়ে গত ৭ আগস্ট ২০২৩ তারিখে রাজধানীর গাবতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঝিনাইদহ, মেহেরপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কথিত ইমাম মাহমুদের আহ্বানে সপরিবারে হিজরত করতে আসা ছয়জন নারী ও চারজন পুরুষসহ মোট ১০ জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে কাউন্টার টেরোরিজম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের একটি টিম। এ সময় তাদের সঙ্গে থাকা আট শিশুকে হেফাজতে নেওয়া হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মেহেরপুর জেলা থেকে হিজরতকারী পাঁচটি পরিবার এবং ঝিনাইদহ জেলা থেকে হিজরতকারী একটি পরিবার ছিল।’গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা সবাই কথিত ইমাম মাহমুদের নেতৃত্বে স্থাপিত জঙ্গি প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে যোগদানের উদ্দেশ্যে রওনা করেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তারা মনে করে ইমাম মাহমুদ, ইমাম মাহাদীর অগ্রবর্তী হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছেন। তারা বিশ্বাস করে, বিভিন্ন হাদিস গ্রন্থে ইমাম মাহাদীর পূর্বে যে ‘দুর্বল প্রকৃতির’ ব্যক্তির আবির্ভাবের কথা বলা হয়েছে, তাদের নেতা ইমাম মাহমুদ সেই ব্যক্তি। তারা মনে করে, কথিত ইমাম মাহমুদ ভারতীয় উপমহাদেশে জিহাদের নেতৃত্ব প্রদান করবেন। তারা জানায়, কথিত ইমাম মাহমুদ তাদের বলে, যারা উক্ত জিহাদে অংশগ্রহণ করবে তারা সবাই পরকালীন পুরস্কারপ্রাপ্ত হবেন ও জিহাদের প্রস্তুতি গ্রহণের প্রথম ধাপ হলো গৃহত্যাগ তথা হিজরত। তাই জিহাদের প্রস্তুতি গ্রহণের উদ্দেশ্যে কথিত ইমাম মাহমুদের নেতৃত্বে সংগঠিত হওয়ার জন্য তারা সকলে ঘটনাস্থলে মিলিত হয়েছিল।”অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, “তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ১২ আগস্ট ২০২৩ তারিখ মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে একই গ্রুপের আরো এক সদস্য মো. ফরহাদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ফরহাদকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সে জানায়, মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় লোকচক্ষুর অন্তরালে কথিত ইমাম মাহমুদের নেতৃত্বে তার বেশ কিছু অনুসারী আস্তানা স্থাপন করেছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর নেতৃত্বে ডিএমপির সোয়াট টিম ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট মৌলভীবাজারের উক্ত প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের উদ্দেশে রওনা হয়। পরবর্তী সময়ে কুলাউড়ার কর্মধা ইউনিয়নের টাট্টিউলি গ্রামের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের অবস্থান চিহ্নিত করে সেখানে ‘অপারেশন হিলসাইড’ পরিচালনা করা হয়। অভিযানে চারজন পুরুষ ও ছয়জন নারীসহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের সঙ্গে থাকা তিন শিশুকেও হেফাজতে নেওয়া হয়।”তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, কথিত ইমাম মাহমুদের এক অনুসারী জনৈক জামিল কুলাউড়ার কর্মধা ইউনিয়নের টাট্টিউলি গ্রামে প্রশিক্ষণ ক্যাম্প স্থাপনের জন্য জমি ক্রয় করে। গ্রেপ্তারকৃতদের মিরপুর মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।’

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর :

সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি:

এম এ কাশেম (পিএইচডি -গবেষক,এডুকেশন-মালেশিয়া) এম এ ক্রিমিনোলজি, এমবিএ-লন্ডন।).....01748159372

সম্পাদক ও প্রকাশক:

মো: তুহিন হোসেন (বি.এ অনার্স,এম.এ)...01729416527

© All rights reserved © 2020-2025
প্রযুক্তি সহায়তায়: csoftbd