1. nokhatronews24@gmail.com : ajkarsatkhiradarpan darpan : ajkarsatkhiradarpan darpan
  2. install@wpdevelop.org : sk ferdous :
সাতক্ষীরায় বিএনপির কোন্দলে সুযোগ খুঁজছে জামায়াত - আজকের সাতক্ষীরা দর্পণ
রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
📰সাতক্ষীরায় নতুন এসপি মোঃ আরেফিন জুয়েল’র যোগদান📰বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সাতক্ষীরায় দোয়া অনুষ্ঠান📰সাতক্ষীরা সদরের খানপুরে পূর্ব শত্রুতার জেল ধরে সাঈদের বাড়িতে আগুন📰সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রভাষক গোলাম আজম নিহত📰ধানের শীষ বিজয়ে ঐক্যবদ্ধ সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি, ধানের শীষের বিজয়ে অপার সম্ভাবনা📰ভয় দেখিয়ে নয়, উদারতা দিয়ে মানুষের মন জয় করতে বলেছেন তারেক রহমান: জুয়েল📰কুলিয়ায় নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে-নেতৃত্বাধীন অ্যাডভোকেসি সভা📰সাতক্ষীরা-২ আসনে আব্দুল আলিমের মনোনয়নের দাবীতে সড়ক অবরোধ করে মশাল মিছিল📰কালিগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু📰সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান নিজের অপকর্ম ঢাকতে, বিভিন্ন ব‍্যাক্তিদের দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ

সাতক্ষীরায় বিএনপির কোন্দলে সুযোগ খুঁজছে জামায়াত

প্রতিবেদকের নাম :
  • হালনাগাদের সময় : শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২০ সংবাদটি পড়া হয়েছে

আবু সাঈদ,সাতক্ষীরা: তফসিল ঘোষণা না হলেও সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে জমজমাট নির্বাচনী প্রচারণা চলছে। বড় দু’দল ইতোমধ্যে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। প্রার্থীতা নিয়ে জামায়াতের কোন্দল না থাকলেও অন্তত দু’টি আসনে অন্তর্কোন্দলে জ্বলছে বিএনপির রাজনীতি। জামায়াতের দুর্গ হিসেবে খ্যাত সাতক্ষীরার ৪টি আসন নিজেদের দখলে রাখতে চায় তারা। অপরদিকে বিএনপিও চায় অন্তত ২টি আসনে জিতে আসতে।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়,জেলার চারটি সংসদীয় আসনে ১৮ লাখের ওপর ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫ লাখ ৩০ হাজার ভোটার রয়েছে সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) আসনে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে আরও জানা যায়,১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরায় আসন ছিল ৫টি। এর মধ্যে ৪টি আসনেই জামায়াত জয়লাভ করে। অপরটি পায় আওয়ামী লীগ। ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ চিত্র পাল্টে যায়। শুধুমাত্র সাতক্ষীরা সদর আসনে জামায়াত ছাড়া আর বাকী ৪টি আসনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি নির্বাচিত হয়। ২০০১ সালে জামায়াত আবারও তিনটি আসনে জয়লাভ করে। জেলার মধ্যে সেবারই প্রথম বিএনপির টিকেটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন হাবিবুল ইসলাম হাবিব। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি আসন কমিয়ে সাতক্ষীরায় সংসদীয় আসন হয় ৪টি। এ নির্বাচনে জামায়াত ও বিএনপি একটি আসনও পায়নি। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি (এরশাদ) ২টি করে আসনে জয়লাভ করে।
সাতক্ষীরা সীমান্তঘেঁষা জেলা হওয়ার সুবাদে এখানকার মুসলিম ভোটারদের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ ভারত থেকে আসা। সে কারণে সাতক্ষীরায় জামায়াতের একটি ভালো প্রভাব রয়েছে। বরাবরের মতো জামায়াত এবারও ৪টি আসনে জিততে চায়। নমিনেশন নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দল না থাকায় মাস দুয়েক আগে থেকে ৪টি আসনে জামায়াতের পক্ষ থেকে প্রার্থী ঘোষণা দেওয়া হয়। সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসন থেকে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন অধ্যক্ষ ইজ্জতুল্লাহ,সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর-দেবহাটা) আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক,সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ ও আশাশুনি) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন মুহদ্দিস রবিউল বাশার ও সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম। অপরদিকে সাতক্ষীরা-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব,সাতক্ষীরা-২ আসন থেকে আব্দুর রউফ,সাতক্ষীরা-৩ আসন থেকে কাজী আলাউদ্দীন ও সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ড. মনিরুজ্জামান মনির।
সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে ১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হন জামায়াতের শেখ আনসার আলী। ১৯৯৬ সালে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের সৈয়দ কামাল বখত। ২০০১ সালে চার দলীয় জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচিত হন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ডাকসুর সাবেক নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব। জনসমর্থনের দিক দিয়ে তালা ও কলারোয়ায় বিএনপির অবস্থান ছিল চতুর্থ। হাবিবুল ইসলাম হাবিব নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকার উন্নয়নে মনোনিবেশ করেন। এরপর থেকে বিএনপির জন-সমর্থন বাড়তে থাকে। সাতক্ষীরা-১ আসনে জামায়াতেরও শক্ত একটি অবস্থান রয়েছৈ। এবার তাই বিএনপির হাবিবুল ইসলাম হাবিব ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মো: ইজ্জতুল্লাহর মধ্যে লড়াইটা বেশ জমজমাট হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা।
এবিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন,‘‘ তালা-কলারোয়ার এমন কোন জায়গা নেই,যেখানে আমার প্রচেষ্টায় উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। তালা ব্রিজ,পাটকেলঘাটা থানা ও কলারোয়া পৌরসভা আমার প্রচেষ্টায় তৎকালিন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া করে দিয়েছিলেন। আগামীতে আমি নির্বাচিত হলে পাটকেলঘাটাতে উপজেলায় উন্নীত করার পদক্ষেপ নেব। জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ব্যবস্থা নেব। ’’
সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বিএনপির বহিস্কৃত নেতা আব্দুর রউফকে। সদর উপজেলার বাঁকাল এলাকায় খাসজমি উদ্ধারের সময় জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ আব্দুর রউফকে “বাটপার’’ বলে ধমক দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল হলে তিনি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। এছাড়া ইসলামী বক্তা কবির বিন সামাদকে মঞ্চে ‘‘ বাস্টো করে দেবো ’’ সহ বিভিন্ন অশালিন ভাষায় গালিগালাজ দেশব্যাপী সমালোচনার জন্ম দেয়। ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত আব্দুর রউফকে মনোনয়ন দেওয়ায় ফুঁসে উঠেছে মনোনয়ন বঞ্চিতসহ সাধারণ জনগণ। মনোনয়ন ঘোষণার দিন রাতে সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের বিনেরপোতায় টায়ার জ্বালিয়ে ব্লকেড তৈরি করে বিক্ষোভ সমাবেশ করে মনোনয়ন বঞ্চিত জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব ও চেয়ারম্যান আব্দুল আলিমের সমর্থকরা। সম্প্রতি আব্দুর রউফের পরিবর্তে আব্দুল আলিমকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের ৩৩ জন দায়িত্বশীল নেতা বিএনপি মহাসচিবের কাছে আবেদন করেছেন।
সাতক্ষীরা-২ আসনে বিএনপির আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী তাজকিন আহমেদ চিশতি। বর্তমানে জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক চিশতি সাতক্ষীরা পৌরসভার দু’বারের নির্বাচিত মেয়র। তারপক্ষে পৌরসভার ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি নেতারাও মহাসচিব বরাবর আবেদন করেছেন।
অন্যদিকে, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের সদালাপী হিসেবে পরিচিতি রয়েছে। এছাড়া এ আসনে জামায়াতের একটি শক্ত অবস্থান রয়েছে। ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত চারটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের তিনবারই সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থীরা। উপরন্তু তাঁদের রয়েছে সুশৃঙ্খল কর্মীবাহিনী। এবার তাই সাতক্ষীরা-২ আসনে জামায়াতকে এগিয়ে রাখছেন নির্বাচনী পর্যবেক্ষকরা।
এবিষয়ে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী আব্দুল আজিজ বলেন, ‘‘ ১৯৮৬ সাল থেকে সাতক্ষীরায় জামায়াত সমস্ত সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছে। এর ফাউন্ডার ছিলেন মরহুম কাজী শামসুর রহমান। এরপর থেকে জামাযাতের ধারাবাহিক অগ্রগতি রয়েছে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে জেল-জুলুম-অত্যাচার,৪৮ জনের প্রাণহানি,হাজার হাজার মামলা আমাদের বিরুদ্ধে দেওয়া হয়। তারপরেও আমরা পিছু হটিনি। ২০০১ সালে সাতক্ষীরা থেকে ৪টি আসন পেয়েছিল জামায়াত। আমরা এবারও সাতক্ষীরা-১ আসনসহ ৪টি আসনে বিজয়ী হওয়ার আশা করছি। ’’
সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ-আশাশুনি) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আলাউদ্দীন। তবে এ আসনে কাজী আলাউদ্দীনের মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টানা ১১দিন বিক্ষোভ সমাবেশ করে কালিগঞ্জ ও আশাশুনি উত্তাল রেখেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য,স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস ও মনোনয়ন প্রত্যাশী ডা. শহিদুল আলমের সমর্থকেরা।
এবিষয়ে ডা. শহিদুল আলমের সমর্থক জেলা বিএনপির সদস্য শেখ নূরুজ্জামান বলেন,‘‘ গরীবের ডাক্তার বলে খ্যাত ডা. শহিদুল আলমকে মনোনয়ন না দেওয়া পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরে যাবনা। যে মানুষটি তাঁর সবকিছু ব্যয় করেছেন জনকল্যাণে,তাকে মনোনয়ন দিতে হবে। ’’
এ আসনে কাজী আলাউদ্দীনও গণসংযোগ শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে আশাশুনির বালির মাঠে আয়োজিত সংবর্ধণা সভায় অংশগ্রহণ করেন তিনি।
মনোনয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমি সকল সময়ে জনগণের পাশে ছিলাম। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে হামলা-মামলায় জর্জরিত ছিলাম। তবুও জনগণ থেকে আমাকে বিচ্ছিন্ন করা যায়নি। ’’ ভেদাভেদ ভুলে দল যাকে মনোনিত করবে,তাঁর পক্ষেই কাজ করার অনুরোধ করেন তিনি।
তবে সাতক্ষীরা-৩ আসনে সীমানা পরিবর্তন হওয়ায় কিছুটা হলেও বিপাকে পড়েছেন বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীরা। দেবহাটা,আশাশুনি ও কালিগঞ্জের ৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ছিল এ আসন। তবে দেবহাটা উপজেলা এ আসন থেকে বাদ যাওয়া ও বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী হেভিওয়েট প্রার্থীর বাড়ি সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সরে সাতক্ষীরা-৩ এর মধ্যে ঢুকে পড়ায় পাল্টে যায় ভোটের হিসেব-নিকেশ।
সাতক্ষীরা-৩ আসনের পূর্বের সীমানায় দেবহাটার পারুলিয়ার বাসিন্দা এ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাসার। পরে দেবহাটা উপজেলা সাতক্ষীরা-২ আসনের মধ্যে চলে যাওয়ায় মুহাদ্দিস রবিউল বাসারকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে সাতক্ষীরা-৩ এর নতুন সীমানায়।
তবে আশাশুনি উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে জামায়াতের শক্তিশালী অবস্থান ও দলের মধ্যে কোন্দল না থাকায় সাতক্ষীরা-৩ আসনে জামায়াত রয়েছে সুবিধাজনক অবস্থানে।
সুন্দরবনঘেঁষা সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনটি একটি উপজেলা নিয়ে গঠিত। দেশের সর্ববৃহৎ আয়তনের শ্যামনগর উপজেলায় ভোটার রয়েছে ২ লাখ ৯৫ হাজার,যা অন্যান্য আসনের তুলনায় প্রায় অর্ধেক।
১৯৯১ সালে এ আসন থেকে বিজয়ী হন জামায়াতের গাজী নজরুল ইসলাম। ১৯৯৬ সালে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের একে ফজলুল হক। ২০০১ সালে আবারও নির্বাচিত হন গাজী নজরুল ইসলাম। আর ২০০৮ সালে নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির এইচ এম গোলাম রেজা।
বিগত গ্রহণযোগ্য নির্বাচনগুলোতে সাতক্ষীরা-৪ আসনে বিএনপি তাঁদের শক্তিমত্তা দেখাতে পারেনি। তবে এবার বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন নতুন মুখ লন্ডন প্রবাসী ড. মনিরুজ্জামান মনির। তিনি জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তরুণ এই প্রার্থী কতটুকু জনগণকে ধানের শীষের পক্ষে টানতে পারবেন,সেটা এখন দেখার বিষয় বলে জানিয়েছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা। অপরদিকে জামায়াতের গাজী নজরুল ইসলাম সাবেক দু’বারের সংসদ সদস্য হওয়ায় এ আসনে তাঁর নিজস্ব একটি ভোট ব্যাংক রয়েছে। এছাড়া এ আসনে নির্বাচন করতে পারেন এইচ এম গোলাম রেজা। জাতীয় পার্টির সাবেক এ নেতা এবার কোন প্রতীকে নির্বাচন করবেন,তা তিনি এখনো নিশ্চিত করে বলেননি।
বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত ড. মনিরুজ্জামান বলেন,‘‘ সংসদ নির্বাচনে আমি হয়ত নতুন মুখ। তবে পাঁচ বছর ধরে আমি শ্যামনগরের আপামর জনসাধারণের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছি। ’’
সাতক্ষীরায় জাতীয় পার্টির একদা ভালো একটি অবস্থান ছিল। তবে বর্তমানে নাজুক পরিস্থিতিতে দলটি। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার বিষয়ে সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান আশু বলেন,‘‘ আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। দল থেকে এখনো ভোটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। ’’
সাতক্ষীরার ৪টি আসনে এনসিপি ও বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের জনসমর্থন তেমন একটা চোখে পড়েনা।
নির্বাচনের বিষয়ে এনসিপির জেলা সমম্বয়ক কামরুজ্জামান বুলু বলেন,‘‘ সাতক্ষীরার ৪টি আসনে আমরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।
অপরদিকে,নির্বাচনে সবধরণের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান জেলা নির্বাচন অফিসার।
জেলা নির্বাচন অফিসার মো: মাসুদুর রহমান বলেন,‘‘ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার ৪টি আসনে ৬০২টি ভোটকেন্দ্রে ১৮ লাখ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।’’ ইতোমধ্যে নির্বাচনের সকল ধরণের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর :

সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি:

এম এ কাশেম ( এম এ- ক্রিমিনোলজি).....01748159372

alternatetext

সম্পাদক ও প্রকাশক:

মো: তুহিন হোসেন (বি.এ অনার্স,এম.এ)...01729416527

সম্পাদক ও প্রকাশক:

সিনিয়র নির্বাহী সম্পাদক :

© All rights reserved © 2020-2025
প্রযুক্তি সহায়তায়: csoftbd