


মোমিনুর রহমান: দেবহাটা থানার ৬টি তদন্তধীন ও ৩টি ওয়ারেন্ট ভুক্ত মামলার আসামি রিপনকে (৩২) যশোর র্যাব -৬ গ্রেফতার করেছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, রিপনের নামে দেবহাটা থানায় ৭, ফরিদপুর ও যশোরের দুই থানায় ২ মামলা সহ ৯ মামলার এজাহারভূক্ত ও দেবহাটা থানার ৩ মামলার ওয়ারেন্টের আসামী। দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া নোড়ারচক এলাকার আবুল হোসেনের পুএ রিপন হোসেন (৩২) কে ২৮ মার্চ শনিবার সকাল এগারটার দিকে র্যাব- ৬ এর একটি চৌকস দল যশোরের নীলগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছেন। শনিবার রাত ৮ টার দিকে দেবহাটা থানার এস আই দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বাধীন পুলিশের একটি দল তাকে যশোর থেকে দেবহাটা থানায় নিয়ে আসে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাকে জিঙ্গাসাবাদ চলছিল বলে জানা গেছে।বিগত সরকারেরর শাসনামলে উপজেলার পারুলিয়ার খলিসাখালীর প্রায় চৌদ্দশত বিঘা বৈধ মালিকানা জমি( চিংড়ী ঘের) সশস্ত্র অবস্হায় অবৈধ ভাবে দখল সহ লুটপাট করে আলোচনায় আসে রিপন।খলিসাখালির অনন্তঃ তিনশতাধীক বৈধ জমির মালিকদের অনেকটা জিম্মি করে।পরবর্তিতে অন্তবর্তিকালীন সরকারের সময়ে তিন শতাধীক জমির মালিক ও হাজারো এলাকাবাসি অবৈধ দখলদার,অস্ত্রবাজ ও ডাকাত চক্রকে প্রতিরোধ করে এবং জমির মালিকপক্ষরা তাদের জমিতে চিংড়ী চাষ শুরু করে ও লীজ প্রদান করে, যা অব্যহত আছে।উল্লেখ্য খলিসাখালিতে তিন শতাধীক জমির মালিকের পাশাপাশি মসজিদ,মাদ্রাসা সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি খলিসাখালীতে, উক্ত জমির উপার্জনে ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো পরিচালিত হয়।অস্ত্রবাজি,ডাকাতি,লুটপাট, মাদক সহ এগারটি মামলার আসামী রিপন কে দীর্ঘদিন যাবৎ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খুজছিল। রিপন পারুলিয়ার নোড়ার চক,খলিসাখালী এবং চিংড়ীখালী সহ আশপাশের এলাকায় সশস্ত্র বাহিনী সৃষ্টি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় ও জনরোষে আত্নগোপনে থেকে। খলিশাখালির বৈধ জমির মালিক লীজগ্রহীতা ঘেরব্যবসায়ী,বিএনপি নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে ফেক আইডির মাধ্যমে সম্মানহানি ,গুজব,মিথ্যাতথ্য,খলিশাখালির বৈধ মালিকদের দখলদার বলে অপপ্রচার চালিয়ে আসছিল। রিপনের ডাকাতি ও লুটপাটের সহযোগী,অস্ত্র ও মাদক সরবরাহকারী চক্র, ডাকাতির শিকার জনসাধারন, জমিরমালিক পক্ষ, লীজগ্রহীতাদের ও বিএনপি নেতৃবৃন্দের সম্মানহানির ক্ষেএে রিপনের একাধিক সহযোগী ও অপরাপর ফেক আইডীধারীদের চিহ্নিত করতে একাধিক গোয়েন্দ সংস্থা কাজ করছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে নিশ্চিত করেছে। দেবহাটা থানা ওসি মোহাম্মাদ জাকির হোসেন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান দেবহাটা থানায় ৬ টি মামলা ও তিন মামলায় ওয়ারেন্ট একই সাথে ফরিদপুর মধুখালী থানায় তার নামে মামলা আছে এবং তার সহযোগীদের বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে। খলিশাখালি এলাকার জমির অন্যতম মালিক আহ্ছানিয়া মিশন কর্মকর্তা ইকবাল মাসুদ জানান, এই সন্ত্রাসী ডাকাত,কথীত ভূমিহীন মাদক সেবী রিপন গ্রেপ্তারে জমির মালিকেরা ও এলাকাবাসী আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান।
Leave a Reply