
কাজী সোহাগ স্টাফ রিপোর্টার : খুলনার পাইকগাছা উপজেলা বিএনপিকে চরম দুর্দিনে যিনি ভালবেসে অক্টোপাসেরর মত আঁকড়ে ধরে দলকে সংরক্ষিত রেখেছে তিনি হলেন ডাঃ আব্দুল মজিদ। তিনি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক। নানা কৌশল অবলম্বন করে তিনি বিভিন্ন সময় নানা কর্মসূচি পালন করেছিলেন। তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল তাকে মামলা দিয়ে বারবার হয়রানী করে বিএনপিকে ক্ষতবিক্ষত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। তার সততা,তার নীতি আদর্শ, সবারপ্রতি সহ অবস্থান তাকে অনেক দুর এগিয়ে নিয়ে গেছে। অনেকেই তাকে সাদা মনের মানুষ হিসেবে পরিচিত। তিনি পরহিংসা, পরনিন্দা বা অহেতুক কাউকে ক্ষতি করার মানসিকতা তাকে কখনও ছুঁতে পারেনি। দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে তিনি আদর্শিক নেতা। জেলা বিএনপির নেতৃত্বের নির্দেশনায় পাইকগাছায় দ্বিধা বিভক্ত বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত ডাক্তার আব্দুল মজিদ। পাইকগাছা উপজেলার লক্ষীখোলা গ্রামে ৮ মে ১৯৬৪ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা মরহুম আনিছ উদ্দীন ছিলেন একজন মুক্তিযুদ্ধা ও সরকারী চাকুরীজীবি। শিশুকাল থেকেই তিনি যেমন ছিলেন নম্র,ভদ্র, শান্ত মেজাজের। এখনও তিনি তার পিতা মাতার দেয়া আদেশ,নির্দেশ গুলো পালন করে যাচ্ছেন। কারো সাথে কোন বৈরীভাব তিনি পছন্দ করেননা এমনটি তিনি এক সাক্ষাতে বলেন। ছাত্র জীবনে লেখা পড়ায় তিনি ছিলেন খুবই মেধাবী । ১৯৭৯ সালে বিজ্ঞান বিভাগে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি, ১৯৮১ সালে এইচ এস সি ও ১৯৮৯ সালে শের-ই- বাংলা বরিশাল মেডিকেল কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণীতে এমবিবিএস পাশ করেন। এরপর তিনি সরকারী চাকুরি না করে এলাকার মানুষের সেবা দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠা করেন আল আমিন ক্লিনিক নাবে হাসপাতাল । এর সাথে জড়িয়ে পড়েন রাজনীতিতে। রাজনীতি করতে এসে সেটাও নিভু নিভু ভাব।তবে তিনি মানব সেবা থেকে এক ধাপও পিছিয়ে যাননি। বরং তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় ভুমিকা রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামজিক ও পেশাজীবি সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত থেকে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে তিনি সুপ্রতিষ্ঠিত। চাঁদাবাজি, দখলবাজীসহ সকল প্রকার অনৈতিক কর্মকান্ড বিরুদ্ধে তার সব সময় অবস্থান। তিনি বলেন, "আমি শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করি।অন্যায়ের কাছে কভু মাথা নত নয়,তাঁর আদর্শ ব্যস্তবায়নেই আমার লক্ষ্য।