
ডেস্ক রিপোর্ট: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সময় পর্যবেক্ষকদের পক্ষপাতহীনতা বা নিরপেক্ষতা বজায় রাখা, রাজনৈতিক দলের সদস্য বা প্রার্থীর সমর্থক হিসেবে কাজ না করাসহ বেশ কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরইমধ্যে ৫৫ হাজারের বেশি পর্যবেক্ষককে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
সোমবার ইসির দেওয়া নির্দেশনায় বলা হয়, পর্যবেক্ষকদের ভোটের সময় পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) সবার কাছে দৃশ্যমান করে সার্বক্ষণিকভাবে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। ভোটারের অধিকারের বিষয়ে সচেতন থাকার পাশাপাশি নির্বাচনী কর্মকর্তাদের কাজ বিঘ্ন হয়, সেই বিষয়ে তাদের মনোযোগী থাকতে হবে।
পর্যবেক্ষকরা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কোনো হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না। ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বাধা না দিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে স্বল্পসময় অবস্থান করে ভোট পর্যবেক্ষণ করা যাবে।
পর্যবেক্ষকরা কোনো অবস্থাতেই ভোট দেওয়ার গোপন কক্ষে (পোলিং রুম) প্রবেশ করতে পারবে না উল্লেখ করে ইসির ওই নির্দেশনায় বলা হয়, প্রত্যেক পর্যবেক্ষক তার কাজে কোনো স্বার্থের সংঘাত তৈরি হলে কিংবা অন্য কোনো পর্যবেক্ষকের অসঙ্গত আচরণ দেখলে তা নিজ সংস্থাকে জানাবেন।
এতে আরও বলা হয়েছে, সংবিধান, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান পুরোপুরি অনুসরণ করতে হবে। নির্বাচনী কর্মকর্তাদের কাজে হস্তক্ষেপ এবং কোনো প্রকার নির্বাচনী উপকরণ স্পর্শ বা অপসারণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
কোনো পর্যবেক্ষক যদি কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য বা প্রার্থীর সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত হন, তবে তিনি দায়িত্ব পালনে অযোগ্য বলে গণ্য হবেন। পর্যবেক্ষণের পুরো সময়জুড়ে সম্পূর্ণ পক্ষপাতহীনতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে।
কোনো প্রার্থী বা দলের পক্ষে বা বিপক্ষে কোনো চিহ্ন, প্রতীক বা পরিচয় বহনকারী পোশাক বা অন্য কিছু পরিধান বা প্রদর্শন করা যাবে না। কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, এজেন্ট বা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার কাছ থেকে কোনো উপহার নেওয়া, কেনার চেষ্টা বা কোনো সুবিধা নেওয়ায় উৎসাহিত হওয়া যাবে না।
একইসঙ্গে নির্বাচন চলাকালীন মিডিয়ার সামনে এমন কোনো মন্তব্য করা যাবে না, যা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ব্যাহত বা প্রভাবিত করতে পারে।