1. nokhatronews24@gmail.com : ajkarsatkhiradarpan darpan : ajkarsatkhiradarpan darpan
  2. install@wpdevelop.org : sk ferdous :
৬৭ বছর বয়সে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন - আজকের সাতক্ষীরা দর্পণ
শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন
১০ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
📰সাতক্ষীরায় নোট গাইড সিন্ডিকেটের দাপট: কোটি কোটি টাকার মিশন শিক্ষা অফিসার, শিক্ষক সমিতি, প্রধান শিক্ষকসহ জড়িত অনেকে ‎📰থামছেই না মাটি ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য, ফসলি জমির মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়📰‘জনগণের বিপুল সমর্থনে সরকার গঠন করবে ১০ দলীয় জোট’: আব্দুল খালেক📰সাতক্ষীরা-১: বিএনপি প্রার্থী হাবিরের প্রচার-প্রচারণা শুরু📰দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বরাদ্দে কালিগঞ্জে জামায়াত প্রার্থীর সংবর্ধনা ও গণমিছিল📰সাতক্ষীরার আলীপুরে আব্দুর রউফের ধানের শীষের বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত📰কালিগঞ্জে শওকত আলীর কবর জিয়ারত করলেন জামায়াতের প্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাশার📰কামালনগর ঈদগাহে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এঁর স্মরণে নাগরিক শোকসভা ও দোয়া অনুষ্ঠান📰সাতক্ষীরায় তরুণদের ভোটেই নির্ধারিত হতে পারে প্রার্থীদের ভাগ্য📰সাতক্ষীরার ৪টি আসনে ৮টি প্রতীকে লড়বেন ২০জন প্রার্থী

৬৭ বছর বয়সে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন

প্রতিবেদকের নাম :
  • হালনাগাদের সময় : মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০২১
  • ৯৩ সংবাদটি পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সফলতার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা আর প্রতিজ্ঞার এক আশ্চর্যজনক মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন ভারতের গুজরাট রাজ্যের ভদোদারার এক নারী। ৬৭ বছর বয়সে এসে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন তিনি। ২০ বছর বয়সে বিয়ে হয়ে যায় উষা লোদায়ার। ছেলের বউয়ের সহযোগিতায় অবশেষে নিজের স্বপ্ন পূরণ করেছেন তিনি।
ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উষা বলেন, ‘যখন বিয়ে হয়ে যায় তখন স্নাতক প্রথম বর্ষে পড়ি। সবসময় ডাক্তার হতে চেয়েছিলাম। বাবা-মা চেয়েছিলেন বিয়ের পর আমি পড়াশুনা চালিয়ে যাই, কিন্তু নিজের পরিবারের প্রতি মনোযোগ দিতে গিয়ে সেটা আর পারিনি। কিন্তু এখন আমি তৃপ্ত।’ তিনি আরও বলেন, ‘মহারাষ্ট্রভিত্তিক শত্রুঞ্জয় অ্যাকাডেমির জৈনইজম নিয়ে স্নাতক কোর্সের কথা যখন জানতে পারি তখন ভাবলাম এই সুযোগ হারানো যাবে না আর এই কোর্সের প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়ে গেলাম। এটা ছিলো অনলাইন কোর্স। স্নাতক সম্পন্ন করার পর মাস্টার্স সম্পন্ন করি। এরপরে মার্কসের ভিত্তিতে আমি পিএইচডি কোর্সে ভর্তির সুযোগ পাই।’
একজন দাদী ও নানী হিসেবে উষা লোদায়ার নাতি-নাতনিদের শিখিয়েছেন কখনও আশা হারানো যাবে না। আর কেউ যদি সাহস না হারিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে যেতে থাকে তাহলে একদিন তিনি নিশ্চয়ই তার লক্ষ্য অর্জন করবেন। উষার ছেলের বউ নিজেকে গর্বিত পুত্রবধূ দাবি করে নিষা লোদায়া বলেন, ‘আমার শ্বাশুড়ি প্রতিদিন ছয় থেকে সাত ঘণ্টা পড়াশুনা করেছেন। এটা সত্যি যে পরিবার তাকে সমর্থন না করলে এই লক্ষ্য অর্জন তার জন্য কঠিন হতো। তার স্বামী আর বেঁচে নেই কিন্তু তার ছেলে আর আমি তাকে নৈতিক সমর্থন দিয়ে গেছি। আমি এক গর্বিত পুত্রবধূ।’

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর :

সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি:

এম এ কাশেম (পিএইচডি -গবেষক,এডুকেশন-মালেশিয়া) এম এ ক্রিমিনোলজি, এমবিএ-লন্ডন।).....01748159372

সম্পাদক ও প্রকাশক:

মো: তুহিন হোসেন (বি.এ অনার্স,এম.এ)...01729416527

© All rights reserved © 2020-2025
প্রযুক্তি সহায়তায়: csoftbd